ক্যাটাগরি

ব্যাংক এশিয়ার কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অর্থ আত্মসাতের মামলা

এছাড়া আসামির বিরুদ্ধে
একইভাবে এক কোটি ২৭ লাখ ৬০ হাজার টাকা আত্মসাতের চেষ্টার অভিযোগ আনা হয়েছে মামলায়।

মঙ্গলবার দুদকের সমন্বিত
জেলা কার্যালয় ঢাকা-১ এ ব্যাংকটির চাকরিচ্যুত জ্যেষ্ঠ নির্বাহী কর্মকর্তা সিলভিয়া
আক্তার রিনিকে আসামি করে মামলাটি করা হয়েছে বলে কমিশনের পরিচালক (জনসংযোগ) প্রনব
কুমার ভট্টাচর্য্য জানিয়েছেন।

দুদকের উপ-পরিচালক সৈয়দ
তাহসিনুল হক বাদি হয়ে করা মামলায় আসামির বিরুদ্ধে ২০১২ সালের অক্টোবর থেকে ২০১৬
সালের অক্টোবর পর্যন্ত সময়ে ব্যাংকটির এই অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ করা হয়।

এজাহারে বলা হয়, আসামি
সিলভিয়া আক্তার রিনি ২০০৬ সালে ব্যাংক এশিয়ায় যোগদান করেন। পরে ২০১২ সালে থেকে
২০১৯ সাল পর্যন্ত ব্যাংকটি দিলকুশা শাখায় সঞ্চয়পত্র সংক্রান্ত কাজে নিয়োজিত ছিলেন।

এই সময়ের মধ্যে গ্রাহকের
সঞ্চয়পত্রের অর্থ পরিশোধের পর সেই সকল সঞ্চয়পত্রের নামে ৪৫৪টি লেনদেনের মাধ্যমে
ব্যাংক থেকে অতিরিক্ত তিন কোটি ১৮ লাখ ৩৮ হাজার ৯২০ টাকা আসামি নগদে উত্তোলন করেন
বলে মামলায় বলা হয়।

এছাড়া সিলভিয়া ১৭টি
একাউন্ট ট্রান্সফারের মাধ্যমে আরও এক কোটি ২৭ লাখ ৬০ হাজার টাকা স্থানান্তর করলে
তা পরে আসামির নামে থাকা আরেকটি ব্যাংকের হিসাব থেকে আদায় করা হয়েছে বলে এজাহারে
উল্লেখ করা হয়।

আসামির বিরুদ্ধে মামলায়
আরও বলা হয়, গ্রাহকের সঞ্চয়পত্র বা
কুপনের অর্থ প্রদানের পর নির্ধারিত সময়ের মধ্যে বাংলাদেশ ব্যাংকে না পাঠিয়ে
দীর্ঘদিন পর বাংলাদেশ ব্যাংকে ক্লেইম করা হয়।

দুদকের অনুসন্ধান প্রতিবেদনের
কথা উল্লেখ করে এজাহারে বলা হয়, ব্যাংক এশিয়াতেই আসামি
সিলভিয়া আক্তার রিনি ও তার ছেলে সাফি আজ জামানের নামে যৌথ একটি ব্যাংক হিসাবে ২০১২
সাল থেকে ২০২০ সাল পর্যন্ত সময়ের মধ্যে দুই হাজার ৩৬১টি লেনদেনের মাধ্যমে পাঁচ
কোটি ২৩ লাখ ৯৯ হাজার ৪০৩ টাকা জমা ও উত্তোলন করা হয়েছে।

আসামি সিলভিয়া আক্তার
রিনির বিরুদ্ধে মামলায় দণ্ডবিধির ৪০৯/৫১১ এবং দুর্নীতি প্রতিরোধ আইন- ১৯৪৭ এর ৫(২)
ধারা এবং মানি লন্ডারিং আইন-২০১২ এর ৪(২) ও (৩) ধারায় অভিযোগ আনা হয়।