ভারতের
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে উদ্ধৃত করে টাইমস অব ইন্ডিয়া মঙ্গলবার এই খবর দিয়েছে।
প্রথমেই
টিকা পাঠানো হচ্ছে মালদ্বীপ ও ভুটানে। বুধবারই এই টিকা পৌঁছে যাবে। মালদ্বীপে পাঠানো
হচ্ছে ১ লাখ ডোজ টিকা, ভুটান পাচ্ছে দেড় লাখ ডোজ।
টাইমস
অব ইন্ডিয়া জানিয়েছে, বাংলাদেশ ও নেপালে টিকা পৌঁছাবে বৃহস্পতিবার।
বাংলাদেশ
সরকার ইতোমধ্যে জানিয়েছে, ভারত থেকে ২০ লাখ ডোজ টিকা উপহার হিসেবে পাওয়া যাচ্ছে এবং
সেটা সেরাম ইনস্টিটিউটে তৈরি অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকার উদ্ভাবিত টিকা।
বাংলাদেশ
সরকারিভাবেও ভারতের সেরাম ইনস্টিটিউট থেকে তিন কোটি ডোজ টিকা কিনছে, যার প্রথম চালানে
৫০ লাখ ডোজ টিকা ২৫ জানুয়ারির মধ্যে পৌঁছাবে বলে আশা করা হচ্ছে।
উপহার হিসেবেও টিকা পাঠাবে ভারত: স্বাস্থ্যমন্ত্রী
বাংলাদেশ
ও নেপালের পর মিয়ানমার ও সেসেলেসে শুক্রবার পৌঁছাবে ভারত সরকারের উপহার দেওয়া টিকা।
ভারতের
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক বিবৃতিতে বলা হয়, শ্রীলঙ্কা, আফগানিস্তান ও মরিশাসেও টিকা
পাঠানোর ইচ্ছা রয়েছে নয়া দিল্লির। ওই সব দেশে টিকাটি ছাড়পত্র পেলেই তা পাঠানো হবে।
বন্ধুপ্রতীম
দেশগুলোকে টিকা উপহার দেওয়ার কথা জানিয়ে টুইটও করেছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র
মোদী।
তিনি
বলেছেন, দীর্ঘদিনের আস্থাভাজন অংশীদারদের প্রয়োজন মেটানোর এই সুযোগ পেয়ে ভারত সম্মানিত
বোধ করছে।
করোনাভাইরাস
মহামারীতে বিশ্ব যখন বিপর্যস্ত, তখন আশা হয়ে এসেছে টিকা। বিশ্বে বিভিন্ন রোগের টিকা
তৈরিতে ভারত অগ্রগন্য।
অক্সফোর্ড
ও অ্যাস্ট্রাজেনেকার কোভিড-১৯ টিকা সেরাম ইনস্টিটিউটে উৎপাদনের পাশাপাশি ভারতীয় কোম্পানি
ভারত বায়োটেকও একটি কোভিড-১৯ টিকা উদ্ভাবন করেছে।
করোনাভাইরাসে
আক্রান্তদের হিসেবে বিশ্বে দ্বিতীয় এবং মৃত্যুর তালিকায় তৃতীয় স্থানে থাকা ভারত ইতোমধ্যে
দেশে টিকাদান শুরু করেছে।