ক্যাটাগরি

নির্বাচনী এলাকায় অনুমোদনহীন বীর মুক্তিযোদ্ধাদের গেজেট যাচাই ৬ ফেব্রুয়ারি

পৌরসভা নির্বাচন নেই, এমন উপজেলাগুলোতে পূর্ব নির্ধারিত সময়সূচি অনুযায়ী আগামী
৩০ জানুয়ারি সকাল ১০টায় উপজেলা পর্যায়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয় (ইউএনও)
এবং মহানগর পর্যায়ে ডেপুটি কমিশনারের (ডিসি) কার্যালয়ে এই যাচাই-বাছাই হবে বলে জামুকার
এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।

গত ১৯ ডিসেম্বর এই যাচাই-বাছাই হওয়ার কথা থাকলেও তা বদলে প্রথমে ৯ জানুয়ারি
এবং পরে ৩০ জানুয়ারি করা হয়।

নতুন বিজ্ঞপ্তিতে জামুকা বলছে, ৩০ জানুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য যাচাই-বাছাইয়ের দিন
কোনো কোনো স্থানে পৌরসভা নির্বাচনের তারিখ নির্ধারিত হওয়ায় নির্বাচনী উপজেলায় যাচাই-বাছাই
কার্যক্রম আগামী ৬ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত হবে।

“যেসব এলাকায় কোনো নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে না সেসব স্থানে নির্ধারিত এক বা একাধিক
তারিখে উক্ত যাচাই-বাছাই কার্যক্রম যথারীতি অনুষ্ঠিত হবে।”

যেসব উপজেলায় নির্বাচনের কারণে ৩০ জানুয়ারির পরিবর্তে ৬ ফেব্রুয়ারি যাচাই-বাছাই
অনুষ্ঠিত হবে সেসব এলাকার যাচাই-বাছাইয়ের আওতাধীন বীর মুক্তিযোদ্ধাদের অবহিত করার জন্য
ডিসি এবং ইউএনওদের অনুরোধ করা হয়েছে।

মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় বলছে, কোনো বীর মুক্তিযোদ্ধার নাম ভারতীয় তালিকা
বা লাল মুক্তিবার্তা বা মন্ত্রণালয়ের স্বীকৃত ৩৩ ধরনের প্রমাণকে অন্তর্ভুক্ত থাকলে,
তিনি যাচাই-বাছাই এর আওতাবর্হিভূত থাকবেন।

“এ ধরনের কোনো বীর মুক্তিযোদ্ধার নাম ভুলক্রমে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়
বা জামুকার ওয়েবসাইটে যাচাই-বাছাইযোগ্য তালিকায় প্রকাশিত হয়ে থাকলে, তালিকা হতে নাম
বাদ দেওয়ার জন্য উপযুক্ত প্রমাণসহ সংশ্লিষ্ট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ে
বা মহানগরের ক্ষেত্রে জেলা প্রশাসক কার্যালয়ে যোগাযোগের অনুরোধ করা হল।”

জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিল আইনের ৭(ঝ) ধারার ব্যত্যয় ঘটিয়ে অনুমোদন ছাড়া
যেসব বেসামরিক বীর মুক্তিযোদ্ধার গেজেট প্রকাশিত হয়েছে, কাউন্সিলের ৭১তম সভায় তা যাচাই-বাছাইয়ের
সিদ্ধান্ত হয়।

জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিল আইনের ৭(ঝ) ধারায় প্রকৃত বীর মুক্তিযোদ্ধাদের
তালিকা প্রণয়ন করে সরকারের কাছে সুপারিশ করার এখতিয়ার এই কাউন্সিলের উপর ন্যস্ত করা
আছে।

প্রকৃত বীর মুক্তিযোদ্ধাদের তালিকা প্রকাশের অংশ হিসেবে জামুকার অনুমোদন ছাড়া
প্রকাশিত বেসামরিক গেজেটভুক্ত বীর মুক্তিযোদ্ধাদের তালিকা যাচাই করা হচ্ছে।

মন্ত্রণালয় বলছে, যাচাইয়ের আওতাভুক্ত তালিকা এবং এ সংক্রান্ত বিস্তারিত তথ্য
মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইট (www.molwa.gov.bd) এবং জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা
কাউন্সিলের ওয়েবসাইট (www.jamuka.gov.bd) পাওয়া যাবে।

“এ ধরনের গেজেটভুক্ত বীর মুক্তিযোদ্ধাদের কমপক্ষে তিনজন ভারতীয়/লাল মুক্তিবার্তা
তালিকাভুক্ত সহযোদ্ধা/সহপ্রশিক্ষণ গ্রহীতা সাক্ষী ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্র উপস্থাপন করতে
বলা হয়েছে।

“কোনো ব্যক্তি বাংলাদেশের অভ্যন্তরে প্রশিক্ষণ গ্রহণ করে থাকলে তিনি কোন
যুদ্ধে অংশগ্রহণ করেছেন, তা তিনজন ভারতীয়/লাল মুক্তিবার্তা তালিকাভুক্ত বীর
সহ-মুক্তিযোদ্ধার মাধ্যমে প্রমাণ করতে হবে। ভারতীয়/লাল মুক্তিবার্তা তালিকাভুক্ত
বীর মুক্তিযোদ্ধাদের উপস্থিতিতে এ যাচাই-বাছাই কার্যক্রম সম্পন্ন করতে হবে।”