বৃহস্পতিবার
রাত ১০টার দিকে মহিউদ্দিনের বাড়িতে যান রেজাউল করিম।
তাকে
স্বাগত জানান মহিউদ্দিন চৌধুরীর স্ত্রী ও নগর মহিলা আওয়ামী লীগের সভানেত্রী হাসিনা
মহিউদ্দিন এবং ছেলে শিক্ষা উপমন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল।
এসময়
রেজাউলের সঙ্গে ছিলেন নগর আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি ইব্রাহিম হোসেন চৌধুরী বাবুল ও আলতাফ
হোসেন চৌধুরী বাচ্চু, সাংগঠনিক সম্পাদক শফিক আদনান, সম্পাদকমণ্ডলীর সদস্য শফিকুল
ইসলাম ফারুক ও মশিউর রহমান চৌধুরী।
মিষ্টি
ও ফুল নিয়ে মহিউদ্দিন চৌধুরীর বাড়িতে যাওয়ার বিষয়টি বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে
নিশ্চিত করেছেন রেজাউলের ব্যক্তিগত সহকারী সাবেক ছাত্রলীগ নেতা মো. ইলিয়াস।
রেজাউল
করিম চৌধুরীর ফেইসবুক পাতা থেকেও মহিউদ্দিনের বাড়িতে তোলা কয়েকটি ছবি পোস্ট করা
হয়েছে।
চট্টগ্রাম
নগর আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে মহিউদ্দিন চৌধুরীর অনুসারী হিসেবে পরিচিত রেজাউল করিম
মনোনয়ন পাওয়ার পরও মহিউদ্দিনের অনুসরণে চট্টগ্রামকে মডেল সিটি রূপে গড়বেন বলে
প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন।
বৃহস্পতিবার
রাতে মহিউদ্দিনের বাসায় যাওয়ার আগে চট্টগ্রাম থেকে প্রকাশিত দৈনিক পত্রিকাগুলোর
কার্যালয়ে যান রেজাউল করিম।
দৈনিক
আজাদী, দৈনিক পূর্বকোণ, দৈনিক সুপ্রভাত বাংলাদেশ, দৈনিক পূর্বদেশসহ ছয়টি পত্রিকার
কার্যালয়ে যান তিনি। তখন রেজাউলের সঙ্গে ছিলেন নগর আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি
মাহতাব উদ্দিন চৌধুরী এবং সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীনসহ
নেতারা।
এর
আগে দুপুরে বহদ্দারহাটের বাড়িতে গিয়ে রেজাউলকে শুভেচ্ছা জানান আ জ ম নাছির।
পরে
যান সিটি করপোরেশনের প্রশাসক খোরশেদ আলম সুজন এবং উত্তর জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি
ও জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান এম এ সালাম।
নগর
আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে দীর্ঘদিন ধরে সক্রিয় দুটি ধারার মধ্যে একটির নেতৃত্বে
ছিলেন প্রয়াত নেতা মহিউদ্দিন চৌধুরী। তার মৃত্যুর পরেও তার অনুসারীরা এখন আছেন
মহিউদ্দিনের ছেলে নওফেলের সাথে।
বিপরীতে
অন্য ধারাটির নেতৃত্বে থাকা আ জ ম নাছির এবার মেয়র পদে দলের মনোনয়ন চেয়েও পাননি।
দলের
বেশ কয়েকজন মনোনয়ন প্রত্যাশী নেতাকে পিছনে ফেলে মেয়র পদে নৌকা প্রতীকে প্রার্থী হন
রেজাউল।
দ্রুত পোস্টার অপসারণ চান রেজাউল
বন্দর
নগরীর সব গুরুত্বপূর্ণ সড়ক ও পাড়া-মহল্লা ছেয়ে গেছে নির্বাচনী পোস্টারে। দ্রুততম
সময়ে এসব ব্যানার-পোস্টার অপসারণ চান নতুন মেয়র রেজাউল করিম চৌধুরী।
বৃহস্পতিবার
সন্ধ্যায় নগরীর বহদ্দারহাটে তার বাসভবনে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের (সিসিসি)
পরিচ্ছন্ন বিভাগের কর্মকর্তারা শুভেচ্ছা জানাতে যান।
পরিচ্ছন্ন
বিভাগের পরিদর্শক মোরশেদ আলমসহ কয়েকজন পরিচ্ছন্নতা কর্মকর্তা নতুন মেয়রকে ফুল দিয়ে
শুভেচ্ছা জানান।
এসময়
রেজাউল করিম চৌধুরী তাদের পোস্টার-ব্যানার দ্রুততম সময়ে অপসারণের পরামর্শ দিয়ে
বলেন, চট্টগ্রামবাসীকে যেন এগুলোর জন্য কষ্ট পেতে না হয়। যত দ্রুত সম্ভব এগুলো
সরিয়ে ফেলা উচিত।
বৃহস্পতিবার
সন্ধ্যার পর থেকে নগরীর বিভিন্ন এলাকায় সিসিসির পরিচ্ছন্নতাকর্মীদের পোস্টার সরিয়ে
নিতে দেখা গেছে।
এছাড়া
স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন বিদ্যানন্দ নগরীর বিভিন্ন সড়ক থেকে দিনের বেলায় পোস্টার অপসারণ
করেছে।