ওয়েস্ট ইন্ডিজ সিরিজের জন্য বাংলাদেশের ১৮ সদস্যের টেস্ট স্কোয়াডে পেসার
রাখা হয়েছে ৫ জন, স্পিনার ৪ জন। একাদশে জায়গা হতে পারে ৪ স্পিনারের সবার। পেসার দুই
জনের বেশি না খেলানোর সম্ভাবনা শতভাগ। এমনকি একজন খেলানোর সম্ভাবনাও উড়িয়ে দেওয়া যায়
না।
রাসেল ডমিঙ্গো কোচের দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকেই কার্যকর একটি পেস বোলিং গ্রুপ
গড়ে তোলার কথা বলেছেন বারবার। ওটিস গিবসন বোলিং কোচ হওয়ার পর তিনিও জোর দিয়ে বলে আসছেন
পেস ইউনিটের প্রয়োজনীয়তার কথা। পেসারদের নিয়ে কোচদের পরিকল্পনা ও প্রচেষ্টাও দেখা যাচ্ছে
নিয়মিতই।
বাংলাদেশের পারিপার্শ্বিকতাই এখানে বড় বাধা। উপমহাদেশের বাইরের দেশগুলোর
ক্ষেত্রে দেশের মাঠে এখন নিয়মিতই স্পিন সহায়ক উইকেটের কৌশল নিচ্ছে বাংলাদেশ। সেখানে
পেসার বেশি সুযোগ দেওয়া উপায় কোথায়!
ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে টেস্ট সিরিজের আগে ডমিঙ্গোর কণ্ঠে উঠে এলো তাদের
প্রচেষ্টা, চাওয়া, ভাবনা আর সামগ্রিক বাস্তবতা।
“ আমাদের বেশ কয়েকজন দারুণ পেসার উঠে আসছে। তাসকিন ভালো গতিতে বোলিং করছে,
হাসান মাহমুদ রোমাঞ্চকর। ইবাদত ও রাহি (আবু জায়েদ) সত্যিই দারুণ করছে। খালেদও আছে দৃশ্যপটে।
কিন্তু চট্টগ্রামের উইকেট দেখে মনে হচ্ছে, পেস বোলাররা এখানে খুব একটা হুমকি হয়ে উঠবে
না। দুর্ভাগ্যজনক, কিন্তু উইকেটের ধরনই এটি। আমাদের নিশ্চিত করতে হবে যেন নিজেদের শক্তিমত্তা
অনুযায়ী খেলতে পারি।”
“ বেশ কয়েকজন ফাস্ট বোলারকে আমাদের সিস্টেমে গড়ে তোলায় আর প্রতিজ্ঞবদ্ধ।
ওয়ানডে দল দিয়ে আমরা দেখিয়েছি যে ফাস্ট বোলিংয়ের ভাণ্ডার সমৃদ্ধ করার চেষ্টা করছি আমরা।
দেশের বাইরে গেলে তাদের ভূমিকা হবে গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু দেশের মাটিতে, যেখানে উইকেটে
তাদের জন্য কিছু নেই, সেখানে পেস নির্ভর আক্রমণ সাজিয়ে আমরা স্টুপিডের মতো কাজ করতে
চাই না। নির্বাচকদের সঙ্গে আমি কথা বলব পেস ও স্পিনের ভালো সমন্বয় নিশ্চিত করতে।”
এই সমন্বয়ে এখন কজন পেস বোলারের জায়গা একাদশে হয়, সেটিই এখন দেখার অপেক্ষা।