পেশির চোট কাটিয়ে এক মাসেরও বেশি সময় পর রোববার ভালেন্সিয়ার বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে ফেরেন কারভাহাল। দল ২-০ গোলে জিতলেও ম্যাচটি তার জন্য সুখকর হয়নি, পায়ে অস্বস্তি বোধ করায় ২৬তম মিনিটেই উঠে যান তিনি।
মৌসুমের গুরুত্বপূর্ণ সময়ে চোটের থাবায় তাকে নিয়ে দলটির মোট আট জন খেলোয়াড় বাইরে, যা নিয়মিত খেলোয়াড়দের এক-তৃতীয়াংশের বেশি।
গত মঙ্গলবার চোট পান মার্সেলো। আগের সপ্তাহে হাঁটুতে অস্ত্রোপচার করতে হয়েছে সের্হিও রামোসকে। পরিস্থিতি এমন যে, ঠিকঠাক রক্ষণভাগ সাজানোই কঠিন হয়ে পড়েছে জিদানের জন্য।
“আমি ঠিক বুঝে উঠতে পারছি না; আমাদের অনেকে চোটে পড়ছে এবং আমি চিন্তিত।”
“কারভাহাল সেই পুরনো চোটে ভুগছে এবং তার জন্য আমার খারাপ লাগছে। সে ভালো বোধ করছিল এবং ভালো খেলছিল। আমাদের জন্য সে গুরুত্বপূর্ণ খেলোয়াড়। একজন খেলোয়াড়কে হারানো মানেই সমস্যা।”
রাইট-ব্যাক আলভারো ওদ্রিওসোলা ও সেন্টার ব্যাক এদের মিলিতাও চোটে ভুগছেন। ফরোয়ার্ড এদেন আজার, রদ্রিগোর আগামী মাসের আগে পাওয়ার আশা নেই। উরুগুয়ের মিডফিল্ডার ফেদেরিকো ভালভেরদেও বাইরে।
মার্চের শেষ সপ্তাহে আন্তর্জাতিক বিরতির আগ পর্যন্ত সাতটি ম্যাচ আছে রিয়ালের। এর মধ্যে চ্যাম্পিয়ন্স লিগের শেষ ষোলোর দুই লেগের ম্যাচ রয়েছে আতালান্তার বিপক্ষে। আগামী ৭ মার্চ লা লিগায় তাদের মুখোমুখি হতে হবে আতলেতিকো মাদ্রিদের।
মৌসুমের শুরুর দিকে ঠাসা সূচি নিয়ে ক্ষোভ ঝেড়েছিলেন জিদান। একের পর এক চোটে খেলোয়াড় হারালেও এবার অবশ্য সূচিকে দায় দেননি ফরাসি কোচ। প্রতিকূল স্রোতেই লড়তে প্রত্যয়ী তিনি।
“এরই মধ্যে আমরা অনেক সমস্যার মধ্যে আছি; (সূচি বিতর্কে) জড়াতে চাই না। সূচি যেমন আছে, আছে এবং আমরা স্বাভাবিক প্রাক-মৌসুম পাইনি। দলের অনেকে চোট পেয়েছে। এ অবস্থায় আমরা সবাই একটা কাজই করতে পারি আর সেটা হচ্ছে এগিয়ে যাওয়া।”