জেলার
বোয়ালমারী উপজেলার ঘোষপুর ইউনিয়নের ধর্মহাটা মৌজায় ভীমপুর বাজারে এই স্থাপনা নির্মাণ
করেছেন ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান সরদার মজিবর রহমান।
ওই
জমিতে একটি পাকা বাড়ি বানিয়ে তিনি বসবাস করেছেন। আর কিছু জমিতে তিনি বাগান ও একটি দোতালা
মার্কেট ভবন নির্মাণ করেছেন।
মজিবুর
রহমান তা স্বীকার করেছেন।
বিডিনিউজ
টোয়েন্টিফোর ডটকমকে তিনি বলেন, “আমার বাবার চেষ্টায় আমাদের এই জমিতে সিড স্টোর তৈরি
করা হয়েছিল। ঘূর্ণিঝড়ে ধসে যাওয়ার পর সেটি ব্যবহারের অনুপযোগী হয়ে পড়ে। এরপর তা ভেঙে
ফেলা হয়। পরে সিড স্টোর তৈরির জন্য পাশের ভীমপুর বাজারে জমি দিয়েছি।”
তবে
কিভাবে তিনি এই জমি নিজের নামে রেকর্ড করালেন সে বিষয়ে কিছু বলতে চাননি।
ইউনিয়ন
ভূমি কর্মকর্তা আইয়ুব মোল্লা বলেন, “হাল খতিয়ান রেকর্ডে দেখা যাচ্ছে ধর্মহাটা মৌজার
৪১২, ৪১৩ ও ৪১৪ নম্বর দাগের উল্লিখিত জমি সরদার মজিবুর রহমানের নামে রেকর্ড করা হয়েছে।
তবে কিভাবে তিনি সরকারি সিড স্টোরের জমি নিজের নামে রেকর্ড করালেন তা আমার জানা নেই।”
সরকারি
জমি ও সিড স্টোর ফিরে পেতে আইগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা
প্রীতম কুমার হোড়।
তিনি
বলেন, “দীর্ঘদিন ধরে সিড স্টোরটির জমি বেদখলে রয়েছে। সম্প্রতি উপজেলা উন্নয়ন সমন্বয়
সভায় বিষয়টি নিয়ে আলোচনা হয়েছে। সিড স্টোর ভবনটি কিভাবে ভেঙে ফেলে জমি দখল করা হয়েছে
তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। সরকারি জমি ও সিড স্টোরটি ফিরে পেতে আইগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
সিড
স্টোরটি পুনরুদ্ধারের জন্য উপজেলা উন্নয়ন সমন্বয় সভায় আবেদন করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন
ঘোষপুর ইউনিয়ন পরিষ চেয়ারম্যান মো. ফারুক হোসেন।
তিনি
বলেন, এলাকাটি কৃষিপ্রধান। এ কারণে এখানে এই সিড স্টোর স্থাপন করা হয়েছিল। সিড স্টোর
না থাকায় কৃষকদের ভোগান্তি পোহাতে হয়।