ক্যাটাগরি

একঘেয়ে সময়ে খাদ্যাভ্যাস নিয়ন্ত্রণ

সারাদেশে ‘লকডাউন’ পরিস্থিতিতে রেস্তোরাঁগুলো বন্ধ হওয়ার ভোজনরসিকরা বেশ মনকষ্টেই
আছেন। আর সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে আর সিনেমা দেখে সময় কাটানোর মাত্রা বেড়ে যাওয়ায় পেটে
ক্ষুধা না থাকলেও কিছু একটা খেতে হয়ত প্রায়শই মন চাচ্ছে। গৃহবন্দী সময়ে এই বিশৃঙ্খল
খাওয়া নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব না হলে শারীরিক ওজন নিয়ে বিপাকে পড়তে হবে।

স্বাস্থ্যবিষয়ক ওয়েবসাইটে প্রকাশিত প্রতিবেদনের আলোকে জানানো হলো করণীয় সম্পর্কে।

প্রোটিন বেশি: যেসব খাবারে ‘প্রোটিন’
বেশি, তা লম্বা সময় পেট ভরা রাখে। তাই এই পুষ্টি ‍উপাদানের মাত্রা খাদ্যাভ্যাসে বেশি
হলে ক্ষুধা যেমন নিয়ন্ত্রণে থাকবে তেমনি নিয়ন্ত্রণে থাকবে ক্যালরি গ্রহনের মাত্রাও।
এজন্য খেতে পারেন ডিম, বীজজাতীয় খাবার, ডাল, টকদই ইত্যাদি।

ভোজ্য আঁশ: খাদ্যাভ্যাসে ভোজ্য
আঁশ বেশি থাকলে মল অপসারণ সহজ হওয়ার পাশাপাশি পাকস্থলিও সম্প্রসারিত হয়। এতে পরোক্ষভাবে
ক্ষুধা কমে। ভোজ্য আঁশের মাত্রা বাড়াতে খেতে হবে সিম, মটরশুটি, কমলা, ডাল ইত্যাদি।

স্বাস্থ্যকর স্ন্যাকস: এতোকিছুর পরও হয়ত সময়
কাটানোর জন্য কিছু খেতে ইচ্ছে হবেই। সেক্ষেত্রে উল্টোপাল্টা কিছু না খেয়ে বেছে নিতে
হবে স্বাস্থ্যকর স্ন্যাকস। যেমন, ঘরে বানানো হলেও ভাজাপোড়া খাবার না খেয়ে ফল, টকদই,
ফলের সরবত ইত্যাদি বেছে নিতে হবে।

পানি পান: পাকস্থলিকে শীতল রাখতে
পানি পান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এতে পেট যেমন ভরা থাকবে, তেমনি ত্বকও
পরিষ্কার হবে। অস্বাস্থ্যকর খাবার খাওয়ার ইচ্ছাও কমাবে পানি পান করার অভ্যাস। তবে চিনিযুক্ত
কোমল পানীয় থেকে দূরে থাকতে হবে।

সকালের নাস্তা: দিনের প্রথম বেলার
খাবারের গুরুত্ব সম্পর্কে অনেকেই জানেন। যেহেতু ঘরে বসে সময় কাটাচ্ছেন তাই সময় নেই
এই অজুহাত দেওয়ার সুযোগ নেই। আবার একই অজুহাতে সকালে অল্প খাওয়াও ঠিক হবে না, কারণ
তাতে কয়েক ঘণ্টা পরেই আবার ক্ষুধা অনুভব করবেন এবং দুপুরের খাবারের আগেই আবার কিছু
না কিছু খাওয়া হবে। তাই সকালে ভারি নাস্তা খাওয়া বুদ্ধিমানের কাজ হবে, যাতে দুপুরের
খাবার খাওয়া পর্যন্ত পেট শান্ত থাকে েএবং অস্বাস্থ্যকর কিছু খাওয়া থেকে বিরত থাকতে
পারেন।

চিউইং গাম: জিহ্বার ক্ষুধা সামলানোর
একটি উপায় হতে পারে ‘চিউইং গাম’। এতে মুখ নড়তে থাকবে ফলে কিছু খেতে মন চাওয়াকে এড়াতে
পারবেন। তবে ‘চিউইং গাম’ও স্বাস্থ্যকর কোনো খাবার নয়, এতেও থাকে প্রক্রিয়াজাত চিনি,
ক্ষতি করে দাঁতেরও। তাই পরিমানে দিকে খেয়াল রাখতে হবে।