চট্টগ্রামের বোট ক্লাব
জেটি থেকে বুধবার দুই হাজার ২৫৭ জন রোহিঙ্গাকে নিয়ে ভাসানচরের পথে রওনা হয় নৌবাহিনীর
ছয়টি জাহাজ।
নৌবাহিনীর চট্টগ্রাম
নৌ অঞ্চলের কমান্ডার রিয়ার অ্যাডমিরাল মো. মোজাম্মেল হক বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে
বলেন, “পঞ্চম দফায় দুই হাজার ২৫৭ জন রোহিঙ্গা ভাসানচরে রওনা করেছেন। এনিয়ে মোট ১২ হাজার
২৮৪ জন রোহিঙ্গাকে ভাসানচরে নিয়ে যাওয়া হল।”
মঙ্গলবার কক্সবাজারের
বিভিন্ন ক্যাম্প থেকে ব্যাপক নিরাপত্তায় এসব শরণার্থীকে চট্টগ্রামে আনা হয়।
প্রথম
দফায় গত ৪ ডিসেম্বর কক্সবাজারের বিভিন্ন আশ্রয়কেন্দ্র থেকে এক হাজার ৬৪২ জন, দ্বিতীয়
দফায় গত ২৮ ডিসেম্বর এক হাজার ৮০৫ জন, তৃতীয় দফায় গত ২৯ ও ৩০ জানুয়ারি তিন হাজার ২০০
জনের বেশি এবং চতুর্থ দফায় গত ১৫ ও ১৬ ফেব্রুয়ারি প্রায় চার হাজার রোহিঙ্গাকে নোয়াখালীর
ভাসানচরে স্থানান্তর করা হয়েছে।
কক্সবাজারের শরণার্থী
শিবির ও তার বাইরে অবস্থান নিয়ে থাকা প্রায় ১১ লাখ রোহিঙ্গাকে নিয়ে নানা সামাজিক সমস্যা
সৃষ্টির প্রেক্ষাপটে দুই বছর আগে তাদের একটি অংশকে হাতিয়ার কাছে মেঘনা মোহনার দ্বীপ
ভাসানচরে স্থানান্তরের পরিকল্পনা নেয় সরকার।
সরকারের নিজস্ব অর্থায়নে ২৩১২ কোটি টাকা ব্যয়ে মোটামুটি
১৩ হাজার একর আয়তনের ওই চরে ১২০টি গুচ্ছগ্রামের অবকাঠামো তৈরি করে এক লাখের বেশি
মানুষের বসবাসের ব্যবস্থা করা হয়েছে।