মঙ্গলবার দুপুরে কারওয়ানবাজার র্যাব মিডিয়া সেন্টারে বঙ্গবন্ধুর
জন্মশতবার্ষিকী ও স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তী অনুষ্ঠানের নিরাপত্তা ব্যবস্থা বিষয়ে সংবাদ
সম্মেলনে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নে তিনি এ কথা বলেন।
জোড়া উদযাপন উপলক্ষ্যে ঢাকার প্যারেড গ্রাউন্ডে ১০
দিনের অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। দুই অনুষ্ঠানে বিভিন্ন কয়েকটি দেশের রাষ্ট্রপ্রধানরাও
আসবেন।
র্যাব প্রধান আবদুল্লাহ আল মামুন বলেন, অনুষ্ঠানে র্যাব তিন স্তরের
(জল, স্থল ও আকাশ) বিশেষ নিরাপত্তা নিশ্চিত করেছে।
“সার্বক্ষণিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে র্যাব সদর দপ্তর
থেকে মনিটরিং করা হবে। অনুষ্ঠানে কেউ যদি আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির ব্যাঘাত ঘটালে চায়
তাহলে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর থেকে কঠোরতর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”
অনুষ্ঠানে জঙ্গি হামলারও কোনো আশংকা নেই বলে জানিয়ে তিনি বলেন,
“সার্বিকভাবে সব ধরনের ঝুঁকি মোকাবিলা করে সার্বক্ষণিক নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা নিশ্চিত
করা হবে। এই অনুষ্ঠানকে সামনে রেখে সারাদেশে র্যাব নিরাপত্তা জোরদার করেছে।
“র্যাবের স্ব স্ব ব্যাটালিয়ন পর্যায়ে কন্ট্রোল রুম স্থাপন করা হয়েছে।
অনাকাঙ্ক্ষিত কোনো তথ্য পেলে র্যাবের কন্ট্রোল রুম ও অনলাইনের মাধ্যমেও র্যাবের সঙ্গে
যে কেউ যোগাযোগ করতে পারবে।”
তিনি জানান, সাদা পোশাক ও পোশাকেও নিরাপত্তা ব্যবস্থা থাকবে। বিভিন্ন
দেশ থেকে আসা আগত ভিভিআইপিদের নিরাপত্তায় র্যাব সদর দপ্তর থেকে পাঁচজন অফিসার সার্বক্ষণিক
নিয়োজিত থাকবে।
“যেকোনো অপ্রীতিকর পরিস্থিতি মোকাবিলায় র্যাবের ডগ
স্কোয়াড, পর্যাপ্ত রিজার্ভ ফোর্স, স্পেশাল টিম সার্বকক্ষণিক প্রস্তুত রয়েছে। সিসিটিভির
মাধ্যমে সার্বকক্ষণিক নজরদারিও করা হবে। চেকপোস্টে অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের শনাক্তকরণে
র্যাবের নজরদারি থাকবে। এয়ারফোর্সের এয়ার উইং ও হেলিকপ্টার যেকোনো পরিস্থিতি মোকাবিলায়
র্যাবের নজরদারি থাকবে। বিদেশি অতিথিদের সার্বকক্ষণিক প্রটেকশন টহল প্রস্তুত থাকবে।
“ভিভিআইপিদের হোটেল ও তারা যে সমস্ত গুরুত্বপূর্ণ ভেন্যুতে
যাতায়াত করবেন সবগুলোতে র্যাবের কড়া নজরদারি থাকবে। এছাড়াও র্যাবের সাইবার ক্রাইম
ইউনিট সবসময় নজরদারি করবে।”