দলটির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব
রুহুল কবির রিজভী বুধবার এক সংবাদ সম্মেলনে এই কর্মসূচি ঘোষণা করেন।
বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য
সাবেক মন্ত্রী ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ সিঙ্গাপুরের একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায়
মঙ্গলবার সন্ধ্যায় মারা যান। ৮১ বছর বয়সী এই রাজনীতিবিদ কিডনি ও ফুসফুসের জটিলতাসহ
বিভিন্ন সমস্যায় ভুগছিলেন।
বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় তার
মরদেহ সিঙ্গাপুর থেকে দেশে আসার পর শুক্রবার হাই কোর্ট প্রাঙ্গণ এবং বিএনপির কেন্দ্রীয়
কার্যালয়ের সামনে দুই দফা জানাজা শেষে নোয়াখালীর কোম্পানিগঞ্জে গ্রামের বাড়িতে তাকে
দাফন করা হবে।
রিজভী বলেন, “তার মৃত্যুতে
বিএনপি আগামীকাল ১৮ মার্চ বৃহস্পতিবার ঢাকাসহ সারাদেশে শোক দিবস পালন করবে। এ উপলক্ষে দলীয় পতাকা অর্ধনমিত থাকবে এবং কালো পতাকা
উত্তোলন করা হবে।”
কবি জসীমউদ্দীনের জামাতা
ব্যারিস্টার মওদুদ আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলায় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আত্মপক্ষ
সমর্থন প্রক্রিয়ার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর তাকে প্রথম পোস্ট
মাস্টার জেনারেল করা হয়।
পরে দেশের প্রথম সামরিক শাসক
জিয়াউর রহমানের সঙ্গে যোগ দেন মওদুদ। বিএনপি গঠনে তার ভূমিকা ছিল গুরুত্বপূর্ণ। জিয়া
তাকে মন্ত্রী ও পরে উপপ্রধানমন্ত্রী করেছিলেন।
জিয়ার মৃত্যুর পর মওদুদ সামরিক
শাসক হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদের হাত ধরেন। এরশাদের নয় বছরের শাসনামলে তিনি মন্ত্রী, উপপ্রধানমন্ত্রী,
প্রধানমন্ত্রী এবং উপরাষ্ট্রপতির দায়িত্বও পালন করেন।
১৯৯৬ সালের সংসদ নির্বাচনে
পরাজিত হওয়ার পর তিনি বিএনপিতে ফেরেন মওদুদ। ২০০১-২০০৬ মেয়াদে বিএনপি-জামায়াত জোট সরকারে
তিনি আইনমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেন।