৭৪ বছর বয়সী সাবেক এ মার্কিন প্রেসিডেন্ট বলেছেন, তিনি টিকা নিতে সুপারিশ করছেন।
টিকাটি ‘নিরাপদ’ এবং ‘এমন একটা কিছু যা কাজ করে’, টেলিভিশনে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এমনটাই বলেছেন তিনি।
যুক্তরাষ্ট্রে যারা টিকাদান কর্মসূচির বিরোধী তাদের মধ্যে ট্রাম্পের সমর্থকরাই অন্যতম প্রধান গোষ্ঠী বলে এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে বিবিসি।
প্রেসিডেন্টের দায়িত্বে থাকাকালে মহামারীর ভয়াবহতাকে তেমন গুরুত্ব না দেওয়ায় সাবেক এ প্রেসিডেন্টের বিরুদ্ধে সমালোচনাও আছে।
যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে কোভিড-১৯ টিকাদান কর্মসূচি শুরুর পর দেশটির জীবিত সব সাবেক প্রেসিডেন্টই নাগরিকদের প্রতি টিকা নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। একমাত্র ট্রাম্পই এ বিষয়ে দীর্ঘদিন চুপ ছিলেন।
সদ্যবিদায়ী এ প্রেসিডেন্ট ও তার স্ত্রী মেলানিয়া ট্রাম্প জানুয়ারিতে হোয়াইট হাউসে গোপনে করোনাভাইরাস টিকা নিয়েছেন বলে বিবিসির প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে।
“আমি এটি (টিকা) নিতে সুপারিশ করবো। বিপুল সংখ্যক মানুষ, যারা এটি নিতে চায় না এবং সেই অসংখ্য মানুষকে যারা আমাকে ভোট দিয়েছে তাদেরকে এটি নিতে সুপারিশ করবো।
“এটি একটি অসাধারণ টিকা। এটি নিরাপদ এবং এমন একটা কিছু যা কাজ করে,” মঙ্গলবার ফক্স নিউজ প্রাইমটাইমকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে বলেছেন ট্রাম্প।
সম্প্রতি সিবিসি নিউজের করা এক জরিপ থেকে টিকা সহজলভ্য হওয়ার পরও রিপাবলিকান সমর্থকদের এক-তৃতীয়াংশ তা না নিতে পারেন বলে ধারণা পাওয়া গেছে; ডেমোক্রেটদের ক্ষেত্রে এ হার মাত্র ১০ শতাংশ।
টিকা নিতে রক্ষণশীলদের একাংশের প্রবল অনীহা নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের বর্তমান প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন ব্যাপক হতাশা প্রকাশ করার একদিন পর ট্রাম্প তার সমর্থকদের টিকা নেওয়ার পরামর্শ দিলেন।
সোমবার হোয়াইট হাউসের মুখপাত্র জেন সাকি বলেছিলেন, “যদি সাবেক প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প আগামীকাল জেগে উঠেন এবং টিকাটির কার্যকারিতা ও সুরক্ষা নিয়ে জোর গলায় কিছু বলতে চান আমরা অবশ্যই তাতে সমর্থন দেবো। জীবিত সব প্রেসিডেন্টই টিকা নিয়ে প্রচারণায় অংশ নিয়েছেন। তাদেরকে এত ডাকাডাকির প্রয়োজন হয়নি।”