সংস্কৃতি বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী কে এম খালিদ গত সোমবার এই ব্রেইল কর্নারের
উদ্বোধন করেন। গণগ্রন্থাগার অধিদপ্তর ও স্পর্শ ফাউন্ডেশনের যৌথ উদ্যোগে এই ব্রেইল কর্নার
চালু করা হয়েছে।
গণগ্রন্থাগার অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. আবু বকর সিদ্দিকও অনুষ্ঠানে উপস্থিত
ছিলেন।
স্পর্শ ফাউন্ডেশন ও স্পর্শ ব্রেইল প্রকাশনার প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি নাজিয়া
জাবীন বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, “আমাদের স্লোগান হচ্ছে ‘গণগ্রন্থাগার এবার হবে সবার’; আসলে অনেক আগেই সবার
হওয়ার কথা ছিল। তবে অন্তত স্বাধীনতার ৫০তম বছরে আমরা গণগ্রন্থাগারের দ্বারটা উম্মোচিত
করতে পারলাম সবার জন্য, এটাই সবচেয়ে সুখের বিষয়।”
গত ১৩ বছরে স্পর্শ ব্রেইল প্রকাশনার প্রকাশিত ৯০টি বই থেকে ৫০টির বেশি
ব্রেইল বই গণগ্রন্থাগারের ব্রেইল কর্নারে রাখা হয়েছে। যৌথভাবেই এর ব্যবস্থাপনা হবে
বলে জানালেন নাজিয়া।
“আমরা লাইব্রেরিতে বই দেব। লাইব্রেরিয়ানের কাছে তালিকা থাকবে… ব্রেইলেও। আর স্পর্শ
থেকে সপ্তাহখানেক পর পর ঘুরে দেখা হবে সব ব্রেইল বই আঙুল দিয়ে স্পর্শ করে পড়ার উপযোগী
আছে কি না …।”
উপন্যাস, গল্প-কবিতার ব্রেইল মুদ্রণ প্রকাশের দিকেও নজর দেওয়া হবে জানিয়ে
তিনি বলেন, “আমাদের ইচ্ছা দেশের সব জেলাতেই
এমন ব্রেইল কর্নার চালু করব।”
স্পর্শ ফাউন্ডেশন জানিয়েছে, এর আগে ব্যাপ্টিস্ট মিশন, শিশু একাডেমি, ঢাকা
বিশ্ববিদ্যালয় পাঠাগার ও শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় পাঠাগারে ব্রেইল
কর্নার করা হয়েছিল।