ক্যাটাগরি

রাস্তা আটকে, হর্ন বাড়িয়ে রাইড শেয়ারিংয়ের মোটরসাইকেল চালকদের বিক্ষোভ

পাঁচ শতাধিক মোটরসাইকেল চালক বৃহস্পতিবার বেলা ১১টায় জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে অবস্থান নেন এবং রাস্তা দখল করে বিভিন্ন স্লোগান দিতে থাকেন। সেই সঙ্গে মোটরসাইকেলের হর্ন বাজিয়ে তারা ‘হয়রানির’ প্রতিবাদ জানাতে থাকেন।

বিক্ষোভে অংশ নেওয়া কবি নজরুল কলেজের শিক্ষার্থী হাফিজুর রহমান বলেন, মহামারী শুরুর পর কিন্ডার গার্টেনের চাকরি ও টিউশনি চলে যাওয়ায় তিনি কিস্তিতে মোটরসাইকেল কেনেন। রাইড শেয়ারিংয়ের আয় দিয়ে এতদিন সংসারের খরচ চলছিল। কিন্তু পুলিশ এখন স্বাস্থ্যবিধির কথা বলে তাদের ‘পদে পদে জরিমানা’ করছে।

বাংলাদেশ ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের বিবিএর ছাত্র আরমান শেখ বলেন, “গতকাল তার পরিচিত এক ব্যক্তিকে পুলিশ মোটরসাইকেল চালানোর দায়ে ছয় হাজার টাকার মামলা দিয়েছে।”

করোনাভাইরাসের সংক্রমণ বাড়ায় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ) বুধবার এক চিঠিতে রাইড শেয়ারিং সেবা প্রতিষ্ঠানগুলোকে দুই সপ্তাহ মোটরসাইকেলে রাইড শেয়ারিং সেবা বন্ধ রাখার নির্দেশ দেয়।

পাশাপাশি অন্যান্য মোটরযানে রাইড শেয়ারিং সেবার ক্ষেত্রে সরকারের নির্দেশনা অনুযায়ী কঠোরভাবে স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণ করতে বলা হয় চিঠিতে।

বিক্ষুব্ধ চালকরা বলছেন, বাস, অটোরিকশাসহ অন্যান্য যানবাহনে যাত্রীরা যেখানে ‘গাদাগাদি’ করে যাচ্ছে, সেখানে করোনাভাইরাস ঠেকাতে মোটরবাইকে যাত্রীসেবা নিষিদ্ধ করা হল কেন?

জাতীয় প্রেসক্লাব ছাড়াও ঢাকার বিভিন্ন এলাকায় রাস্তার মোড়ে রাইড শেয়ারিং মোটরসাইকেল চালকরা বিক্ষোভ করেছেন বলে জানা গেছে।

করোনাভাইরাসের সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে গত বছরের মার্চের শেষে সব যানবাহনের মত রাইড শেয়ারিং সেবাও বন্ধ রাখা হয়েছিল। ৩১ মের পর বেশিরভাগ বিধিনিষেধ তুলে নেওয়া হলেও রাইড শেয়ারিং সেবা শুরুর অনুমতি দেওয়া হয়েছিল আরও পরে।