কাঠমাণ্ডু-পোখারার এসএ গেমসে সফলদের বঙ্গবন্ধু বাংলাদেশ গেমসে এসে ব্যর্থ হওয়াদের তালিকায় আছে রোমান সানার নামও। নেপালে হ্যাটট্রিক সোনা জেতা আর্চার রোমান সানা এ আসর শেষ করেছেন পদকহীন থেকে! হ্যাটট্রিক সোনা জেতা দুই আর্চার ইতি খাতুন ও সোহেল রানাও পাননি সোনা জয়ের স্বাদ।
তায়কোয়ানন্দো
জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ জিমন্যাশিয়ামে তায়কোয়ান্দো পুমসে (+৩২ বছর) সিনিয়র পুরুষ ইভেন্টে এককে ৮.১০ স্কোর করে প্রথম সোনা জিতেন দিপু। পরে সিনিয়র পুরুষ দ্বৈতে ৭.৩০ স্কোর করে জলন্ত চাকমাকে সঙ্গে নিয়ে সেরা হয়েছেন এই অ্যাথলেট। ২০১৩ সালে হওয়া অষ্টম বাংলাদেশ গেমসেও দুটি সোনা জিতেছিলেন দিপু।
সিনিয়র নারী পুমস (১৭-২৪ বছর) ইভেন্টে ৭.৭০ স্কোর করে সোনা জিতেছেন রুমা খাতুন। সিনিয়র নারী পুমস দ্বৈতে সেনাবাহিনীর সুমাইয়া ইসলাম অ্যানি ও আনিকা আক্তার (৭.৩০ স্কোর), পুমস সিনিয়র (১৭-২৪ বছর) দলীয় ইভেন্টে বাংলাদেশ আনসার ও ভিডিপি (৭.১০ স্কোর) সেরা হয়েছে।
পুরুষ পুমস সিনিয়র (১৭-২৪ বছর) ইভেন্টে দুটি সোনা জিতেছেন বাংলাদেশ আনসার ও ভিডিপির নূরুদ্দীন হোসাইন। ছেলেদের ব্যক্তিগত পুমস ইভেন্টে ৭.৬০ স্কোর করে সোনা জয়ের পর সিনিয়র পুরুষ দ্বৈতে সাগর শেখকে নিয়ে সেরা হন নূরুদ্দীন। এই ইভেন্টে ৭.৩০ স্কোর করেন নূরুদ্দীন-সাগর জুটি।
পুরুষ পুমসে সিনিয়র (১৭-২৪ বছর) দলীয় ইভেন্টে বাংলাদেশ আনসার ও ভিডিপি (৭.৩০ স্কোর), পুমসে (+২৯ বছর) সিনিয়র নারী ইভেন্ট এককে জান্নাতুল সুলতানা সালমা (৭.০০), নারী দ্বৈতে তোরাবী ও সুস্মিতা (৬.৯০), পুমসে (+২৯ বছর) নারী দলগত ইভেন্টে আনসার ও ভিডিপি (৭.০০), পুমসে (২৪-২৯ বছর) সিনিয়র নারী ইভেন্ট এককে নূর আক্তার (৭.২০), পুমসে (২৪-২৯ বছর) সিনিয়র নারী দ্বৈতে ৬.৯০ স্কোর করে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর নিগার সুলতানা ও মাজিয়া সুলতানা সোনা জিতেছেন।
কারাতে:
বান্দরবানের জেলা জিমন্যাশিয়ামে একক কাতায় বান্দরবান জেলা ক্রীড়া সংস্থার নু মে মারমা সেরা হয়েছেন গত এসএ গেমসে সোনা জেতা বাংলাদেশ আনসারের হুমায়রা আক্তার অন্তরাকে পেছনে ফেলে। নারীদের দলগত কাতায় বাংলাদেশ সেনাবাহিনী সেরা হয়েছে। পুরুষ দলগত কাতায় দুই ভাই হোসেন খান সান, হাসান খান মুন ও সৈয়দ নুরুজ্জামান আনসারকে সোনা এনে দিয়েছেন।
ভারোত্তোলন:
নারীদের ৫৫ কেজি ওজন বিভাগে বাংলাদেশ আনসারের ফুলপতি চাকমা ক্লিন এন্ড জার্কে ৮৪ কেজি ও স্ন্যাচে ৬৭ কেজি মিলিয়ে ১৫১ কেজি তুলে সোনা জিতেন। ৫৯ কেজিতে বাংলাদেশ আনসারের ফাইমা আক্তার ময়না স্ন্যাচ ও ক্লিন এন্ড জার্ক মিলিয়ে ১৪১ কেজি তুলে সেরা হয়েছেন।
ছেলেদের ৬৭ কেজি ওজন বিভাগে বাংলাদেশ আনসারের বাকি বিল্লাহ (মোট ২৫৪ কেজি), ছেলেদের ৭৩ কেজি ওজন বিভাগে সেনাবাহিনীর হামিদুল ইসলাম (মোট ২৫৮ কেজি) সোনা জিতেছেন।
টেবিল টেনিস
টেবিল টেনিস ডিসিপ্লিনে শ্রেষ্ঠত্ব দেখিয়েছে বাংলাদেশ আনসার। পাঁচ সোনা ,দুই রুপা ও পাঁচ ব্রোঞ্জসহ ১২টি পদক নিয়ে সেরা হয়েছে তারা। বাংলাদেশ পুলিশে দুই সোনা ও পাঁচ ব্রোঞ্জ নিয়ে হয়েছে দলগত রানার্সআপ।