বুধবার ফটিকছড়ি উপজেলার সমিতির হাট এলাকায় নদীর তীরে এই অভিযান চালানো হয়।
নদীর বাঁকে দীর্ঘদিন ধরে মাটি কাটা হচ্ছে বলে জানান অভিযান পরিচালনাকারী হাটহাজারী উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা মো. রুহুল আমিন।
তিনি বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে জানান, স্পিড বোটে করে নদীতে অভিযান চালানোর সময় দূর থেকে নদীর পাড়ে ট্রাক দেখে সন্দেহ হলে তারা সেখানে যান। বোট আসতে দেখে মাটি কাটার সঙ্গে জড়িতরা ট্রাক ও সরঞ্জাম ফেলে পালিয়ে যায়।
ইউএনও রুহুল আমিন বলেন, “কাটা অংশ দেখে বোঝা যাচ্ছে দীর্ঘদিন ধরে নদীর পাড় খেকে এভাবে মাটি কাটা হচ্ছে। নিয়মিত নদীর বাঁকের মাটি কেটে ফেলায় তা হালদার জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকর।”
হালদা নদীতে ইউ আকৃতির বেশ কিছু বাঁক আছে। এসব বাঁককে ঘিরে পানির ঘূর্ণণের কারণে নদীতে প্রাকৃতিকভাবে গভীর অংশের সৃষ্টি হয়। এই বাঁকগুলো মা মাছের চলাচল ও প্রজননে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
নদীর ওই অংশ ফটিকছড়ি উপজেলার অর্ন্তগত হওয়ায় আইনগত ব্যবস্থা নিতে সংশ্লিষ্ট ইউএনওকে অবহিত করা হয়েছে বলে জানান হাটহাজারীর ইউএনও।
সচরাচর এপ্রিলের মাঝামাঝি থেকে জুনের শুরু পর্যন্ত বজ্রসহ বৃষ্টি এবং পাহাড়ি ঢল নামলে অমাবস্যা বা পূর্ণিমা তিথিতে জোয়ার ও ভাটার সময়ে হালদা নদীতে নিষিক্ত ডিম ছাড়ে কার্প জাতীয় মাছ।
আরও পড়ুন
সিসি ক্যামেরার নজরদারিতে হালদা