রোববার বেলা ৩টা
পর্যন্ত ১৫ ঘণ্টায় মহাখালীর এই হাসপাতালে ডায়রিয়া আক্রান্ত হয়ে ভর্তি হয় ৬৬৪ জন
রোগী।
ঢাকা ও আশপাশের
এলাকায় মার্চের দ্বিতীয় সপ্তাহ থেকে ডায়রিয়ার প্রাদুর্ভাব বাড়তে শুরু করে।
প্রতিদিন হাজারের বেশি রোগী ভর্তি হয়েছে ঢাকার আইসিডিডিআরবিতে।
গত মঙ্গলবার
থেকে বৃহস্পতিবার টানা তিন দিন দৈনিক ১৩শর বেশি রোগী আসে এই হাসপাতালে।
শুক্রবার রোগী
কিছুটা কমে, সেদিন ১২৭৪ জন রোগী ভর্তি হয়। শনিবারও ভর্তি হয় ১২৭৪ জন।
শনিবার থেকে
রোগী ভর্তি কিছুটা কমছে বলে রোববার বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে জানিয়েছেন আইসিডিডিআর,বির
হাসপাতাল প্রধান ডা.বাহারুল আলম।
তিনি বলেন, “গতকালের চেয়ে একটু কমেছে এটা
স্বস্তির। এই ট্রেন্ড ধারাবাহিক হলেই সবার জন্য ভালো।”
ডা. বাহারুল আলম
সবাইকে খাবারের বিষয়ে সতর্ক থাকার পরামর্শ দেন।
“রমজানের সময় মানুষ বাইরের
ইফতার সামগ্রী কেনে। এ বিষয়ে ক্ষেত্রে সতর্ক থাকতে হবে।বাইরে পানি কোনোভাবেই খাওয়া
যাবে না। একটা খাবার তেলে ভেজে তুলল সেটা কিন্তু জীবাণুমুক্ত। কিন্তু ভাজার পরে
খোলা জায়গায় রেখে দিলেন। সেখানে ট্রাকের ধুলা এসে পড়ল। এটা বিপদজ্জনক।”
তিনি আরও বলেন, “আর তেলে ভাজলেই তা জীবাণুমুক্ত
হয়, ব্যাপারটা তাও নয়। যে তেলে খাবারটা ভাজা হবে, সেই তেল মানসম্পন্ন না হলে পেটের
পীড়া তৈরি করবে। ডায়রিয়া না হলেও পাতলা পায়খানা হবে, পেটে বিরুপ প্রতিক্রিয়ার
কারণে লুজ মোশন হবে।
“আমাদের পক্ষে সব মেনে চলা
সম্ভব না। কিন্তু পানি যেন বাইরের কোনোভাবেই না পান না করে। পানি ফুটিয়ে না নিলে
এটার মধ্যে ডায়রিয়ার জীবাণু থাকার সম্ভাবনা বেশি থাকে।”
ডায়রিয়া থেকে বাঁচতে আইসিডিডিআর,বির পরামর্শ