পাবলিক
প্রসিকিউটর আব্দুল ওয়াহাব জেমস জানান, রাজশাহীর অতিরিক্ত মুখ্য বিচারিক হাকিম মো.
ইকবাল বাহার রোববার এ আদেশ দেন।
জেলার দুর্গাপুর
থানায় ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের মামলায় উচ্চ আদালত থেকে ছয় সপ্তাহের অন্তর্বর্তীকালীন
জামিনে ছিলেন আসামিরা। রোববার আদালতে হাজির হয়ে ফের জামিন চাইলে আদালত না নাকচ
করে।
মামলার
আসামিরা হলেন পানানগর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আজাহার আলী খান, ইউনিয়ন আওয়ামী
লীগের সদ্য ঘোষিত কমিটির সাধারণ সম্পাদক কহিদুল ইসলাম, পানানগর দ্বি-মুখী উচ্চ
বিদ্যালয়ের সাবেক প্রধান শিক্ষক আবু এমদাদুল হক ও স্থানীয় ব্যবসায়ী মাহাবুর রহমান
লাল্টু।
মামলার
বরাতে জানা যায়, দুর্গাপুরের পানানগর দ্বি-মুখী উচ্চ বিদ্যালয়ের পরিচালনা পর্ষদের
সভাপতি পদের মনোনয়ন নিয়ে স্থানীয় সংসদ সদস্য এবং স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ
মন্ত্রণালয়ের সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য মো. মনসুর রহমানের বিরুদ্ধে সামাজিক
যোগাযোগ মাধ্যমসহ নানাভাবে আসামিরা অশালীন মন্তব্য করেন।
এই অভিযোগে মনসুর
রহমানের ব্যক্তিগত সহকারী শফিকুল ইসলাম তরফদার ৩০ জানুয়ারি চার জনের নাম উল্লেখ
করে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলা করেন।
পাবলিক
প্রসিকিউটর আব্দুল ওয়াহাব জেমস জানান, উচ্চ আদালত থেকে তারা ইতোপূর্বে আগাম জামিন
নিয়েছিলেন। উচ্চ আদালতের আদেশে তাদে ৩১ মার্চ নিম্ন আদালতে আত্মসমর্পণ করতে বলা
হয়েছিল। তিন্তু তারা ওই তারিখে নিম্ন আদালতে হাজির হননি।
“রোববার
আদালতে হাজির হয়ে আইনজীবীর মাধ্যমে স্থায়ী জামিনের আবেদন করলে হাকিম মো. ইকবাল
বাহার জামিন আবেদন নাকচ করে তাদের কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।”