মঙ্গলবারই ঘোষণাটি আসতে পারে বলে জাপানের ইয়োমিউরি সংবাদপত্রের প্রতিবেদনের বরাতে জানিয়েছে বার্তা সংস্থা রয়টার্স।
তার জরুরি অবস্থা ঘোষণার পরিকল্পনা আবে সোমবার জানাতে পারেন বলে জানিয়েছে ইয়োমিউরি। তবে বুধবার থেকে নতুন পদক্ষেপ কার্যকর হতে পারে বলে জানিয়েছে বার্তা সংস্থা কিয়োদো।
জাপানে সংক্রমণের গতি ক্রমাগত বাড়তে থাকায় জরুরি অবস্থা ঘোষণার জন্য সরকারের ওপর চাপ বাড়ছিল। রাজধানী টোকিওতে আক্রান্তের সংখ্যা দ্রুত বেড়ে এক হাজার ছাড়িয়ে গেছে।
তবে যুক্তরাষ্ট্র, ইউরোপের দেশগুলো ও চীনের তুলনায় জাপানে সংক্রমণ বিস্তারের গতি এখনও ধীর বলে রয়টার্স জানাচ্ছে। জনস হপকিন্স বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিসংখ্যান অনুযায়ী সোমবার সকাল পর্যন্ত জাপানে করোনাভাইরাস আক্রান্তের সংখ্যা তিন হাজার ৬৫৪ ও মৃতের সংখ্যা ৮৫ জন।
সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখার বিধি কঠোরভাবে মেনে চলতে বাসিন্দাদের বাধ্য করতে কঠোর পদক্ষেপ সহায়তা করতে পারে বলে মনে করেন টোকিও গভর্নর ইউরিকো কোইকে। তিনি জরুরি অবস্থা জারির পক্ষে বলে গত সপ্তাহেই ইঙ্গিত দিয়েছিলেন।
করোনাভাইরাস পরিস্থিতি মোকাবেলায় মার্চে সংশোধিত একটি আইনের আলোকে রোগটি জীবনের জন্য ‘গুরুতর হুমকি’ হয়ে উঠলে এবং এর দ্রুত বিস্তার অর্থনীতিতে ব্যাপক প্রভাব ফেলার সম্ভাবনা তৈরি করলে প্রধানমন্ত্রী জরুরি অবস্থা জারি করতে পারবেন।
সোমবার জাপানের শীর্ষ সরকারি মুখপাত্র ইয়োশিহিদে সুগা জানান, সিদ্ধান্তটি এখনও চূড়ান্ত হয়নি।
জরুরি অবস্থা ঘোষণা করা হলে, বেশি প্রাদুর্ভাব আক্রান্ত অঞ্চলের গভর্নররা লোকজনকে বাসায় অবস্থান করতে বলতে পারবে ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠানগুলো বন্ধ করে দিতে পারবে। তবে অন্যান্য দেশে যে রকম লকডাউন পরিস্থিতি দেখা যাচ্ছে সেরকম কোনো পদক্ষেপ নিতে পারবে না।
সরকার বৃহত্তর টোকিও মেট্রোপলিটন এলাকায় এবং ওসাকা ও পশ্চিম জাপানের হিয়োগো প্রিফেকচারে জরুরি অবস্থা জারি করতে পারে বলে ইয়োমিউরির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে।