তিনি বলেন,
“ঈদে ঘরমুখো মানুষকে নিরাপদে ও নির্বিঘ্নে পারাপারে আমাদের প্রস্তুতির কোনো অভাব নেই।
আমাদের যা আছে তা নিয়ে আমরা প্রস্তুত আছি। আমাদের দেশে যতগুলো ঘাট আছে সব মিলে ৪৯টি
ফেরি চলছে। এর মধ্যে দক্ষিণাঞ্চলের প্রবেশদ্বার শিমুলিয়ায় চলছে ১০টি ফেরি।”
শুক্রবার
দুপুরে মুন্সীগঞ্জের শিমুলিয়ার ফেরি ঘাট, লঞ্চ ঘাট, স্পিডবোট ঘাট ঘুরে সাংবাদিকদের
সঙ্গে এসব কথা বলেন নৌ প্রতিমন্ত্রী।
খালিদ মাহমুদ
বলেন, শিমুলিয়ায় যাত্রীদের নিরাপদে পারাপারে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী কাজ করছে। আমরা যাত্রী
সাধারণকে বলেছি, পাটুরিয়া ঘাটকে ব্যবহার করতে। আমরা এই পথে ভারি কোনো যানবাহন চলতে
দিচ্ছি না। এখানে সব হালকা যান চলছে। পর্যাপ্ত সংখ্যক ম্যাজিস্ট্রেট এখানে দায়িত্ব
পালন করছেন।
“তবে ঘাটে
মানুষের চাপ আজকে বেশি। চাপের কারণে মাঝে মাঝে একটু অসুবিধা আছে। এখানে পদ্মা সেতুর
নিরাপত্তার বিষয়টি আমরা জোর দিয়ে দেখছি। সবকিছু চিন্তা করে আমরা এই পথে যে ফেরিগুলো
চালাচ্ছি সেগুলো চলার মতো।“
খালিদ মাহমুদ
বলেন, “আপনাদের নিশ্চয় মনে আছে, বিএনপি সরকার বলেছিল, পদ্মা সেতু হবে পাটুরিয়ায়। তখন
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এই ফেরি ঘাটে এসে বলেছিলেন, পদ্মা সেতু হবে মাওয়ায়। এরপর
থেকেই মাওয়া বা শিমুলিয়া ঘাট আজকের দক্ষিণাঞ্চলের প্রবেশদ্বার হিসেবে পরিচিত হয়েছে।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তার কথা রেখেছেন। আমরা আশা করছি, কয়েক মাসের মধ্যে এই স্বপ্নের
সেতু খুলে দেওয়া হবে।”