গাজীপুর সড়ক ও জনপথের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. সাইফুদ্দিন জানান, শুক্রবার ভোর থেকে ওই সড়ক দিয়ে সকল প্রকার যানবাহন চলাচল বন্ধ হয়ে যায়।
তিনি বলেন, “গত বছরের ডিসেম্বরে নির্মাণ কাজ শেষ হওয়া সড়কটির দৈর্ঘ্যে অন্তত ১৮০ ফুট এবং প্রস্থে ১৬ ফুটসহ প্রায় ৯ ফুট নিচে দেবে গেছে। তিন মাস আগে ওই রাস্তায় ফাটল দেখা দিলে আমরা তা পর্যবেক্ষণে রাখি। কিন্তু বৃহস্পতিবার মধ্যরাতে শীতলক্ষ্যা নদীর তীরের পাশের রাস্তার ওই অংশটি দেবে যায়।
“নদী ভরা থাকলে কোন সমস্য হয় না; তবে নদীর পানির স্তর ওই অংশ থেকে নিচে নেমে গেলেই মাটি দেবে যাওয়ার ঘটনা ঘটে। দেবে যাওয়া অংশের ছবি ও তথ্য বিশেষজ্ঞদের কাছে পাঠোনো হয়েছে। তারা ঘটনাস্থলে এসে মাটি পরীক্ষার পর বাকি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
এর আগেও একাধিকবার দস্যুনারায়ণপুরের দাসপাড়া এলাকায় সড়ক দেবে গিয়েছিল বলে অবসরপ্রাপ্ত স্থানীয় স্কুলশিক্ষক সাধন চন্দ্র দাস জানান।
এদিকে কাপাসিয়া উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মো. আমানত হোসেন খান, উপজেলা নির্বাহী অফিসার ইসমত আরা, ও কাপাসিয়া সদর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. সাখাওয়াত হোসেন প্রধান শুক্রবার সকালে ঘটনাস্থ পরিদর্শন করেছেন।
কাপাসিয়া ইউপি চেয়ারম্যান আমানত বলেন, শীতকালে শীতলক্ষ্যা নদীর পানির স্তর বেশি নেমে গেলেই এ ঘটনাটি ঘটে থাকে। তবে কোনো বারই ভরা নদীতে এ ঘটনা ঘটেনি।