এখন
নতুন বছরের ৩১ মার্চ পর্যন্ত
এই তহবিল থেকে ঋণ পাবেন ছোট
ও মাঝারি উদ্যোক্তারা। ঋণ বিতরণে আশানুরূপ
ফল না পাওয়ায় এ
নিয়ে চার দফা বাড়ানো হলো এই সময়।
গত
১৩ এপ্রিল এই তহবিলের নীতিমালা
ঘোষণা করেছিল বাংলাদেশ ব্যাংক। তাতে অগাস্ট মাস পর্যন্ত এ তহবিল থেকে
ঋণ দেওয়ার কথা বলা হয়েছিল।
পরে
তা দুই মাস বাড়িয়ে ৩১ অক্টোবর পর্যন্ত
সময় দেওয়া হয়। পরে আরও দুই বার এক মাস করে
দুই মাস সময় বাড়িয়েছিল কেন্দ্রীয় ব্যাংক। সর্বশেষ ৩১ ডিসেম্বর ছিল
এই ঋণের জন্য আবেদন করার শেষ দিন।
রোববার
ওই সময় আরও তিন মাস বাড়িয়ে একটি সার্কুলার জারি করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক।
সব
ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের
প্রধান নির্বাহীদের কাছে পাঠানো সার্কুলারে বলা হয়েছে, “ব্যাংক/আর্থিক প্রতিষ্ঠানসমূহ থেকে প্রাপ্ত তথ্য বিশ্লেষণে দেখা যাচ্ছে যে, কিছু ব্যাংক/আর্থিক প্রতিষ্ঠান আলোচ্য প্যাকেজের আওতায় তাদের জন্য নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে সক্ষম হলেও কিছু কিছু ব্যাংক/আর্থিক প্রতিষ্ঠান তা অর্জন করতে
পারেনি।
“আলোচ্য
প্যাকেজের আওতায় সকল ব্যাংক/আর্থিক প্রতিষ্ঠানের অর্জন নিশ্চিত করতে উক্ত প্যাকেজের আওতায় ঋণ বিতরণ লক্ষ্যমাত্রা
বাস্তবায়নের সময়সীমা মার্চ ৩১, ২০২১ তারিখ পুনঃনির্ধারণ করা হলো।”
প্রণোদনা: ‘ছোটদের’ ঋণের অর্ধেকও বিতরণ হয়নি
প্রণোদনা প্যাকেজ থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত ঋণ পাবে ‘ছোট’রা
অর্থনীতি জাগাতে হলে ছোট ব্যবসাও ‘বাঁচাতে হবে’
যে
সব ব্যাংক/আর্থিক প্রতিষ্ঠান তাদের লক্ষ্যমাত্রা অর্জন করতে পারেনি, তাদের লক্ষ্যমাত্রার অবিতরণকৃত অংশ ৩১ মার্চের মধ্যে
বিতরণ নিশ্চিত করতে একটি ‘মাসভিত্তিক সময়াবদ্ধ কর্মপরিকল্পনা’ প্রণয়ন করে তা ১৭ জানুয়ারির
মধ্যে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সংশ্লিষ্ট বিভাগে পাঠাতে বলা হয়েছে সার্কুলারে।
এছাড়া
এ বিষয়ে আগে জারি করা সার্কুলারগুলোর অন্যান্য নির্দেশনা অপরিবর্তিত থাকবে বলে সার্কুলারে উল্লেখ করা হয়েছে।
বাংলাদেশ
ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, গেলে বছরের ডিসেম্বর পর্যন্ত সিএমএসএমই খাতের প্রণোদণা তহবিলের ১০ হাজার কোটি
টাকার মতো বিতরণ করেছে ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলো।