যুক্তরাজ্যে রেকর্ড পর্যায়ে রয়েছে কোভিড-১৯ সংক্রমণ এবং তা বেড়েই চলেছে। করোনাভাইরাসের অতি-সংক্রামক নতুন ধরনের কারণে সংক্রমণ আরও দ্রুত বাড়ছে।
এ পরিস্থিতিতে রোববার বিবিসি’কে জনসন বলেছেন, আগামী দিনগুলোতে দেশের কোনও কোনও অঞ্চলে আরও কঠোর লকডাউনের পদক্ষেপ নেওয়ার প্রয়োজন পড়তে পারে।
তিনি বলেন, “কঠোর আরও অনেক পদক্ষেপই আছে যেগুলো আমাদেরকে বিবেচনায় নিতে হবে। তবে সেগুলো কি হবে তা আমি এখনই অনুমান করছি না।”
এরই মধ্যে ইংল্যান্ডের বেশিরভাগ অঞ্চল কঠিন লকডাউনে রয়েছে। জারি রয়েছে চার স্তরের লকডাউন।
তবে স্কুলগলোকে নিরাপদ স্থান বলে দাবি করেছেন জনসন। তিনি বলেছেন, দেশের যেসব স্থানে স্কুলে যাওয়ার অনুমতি আছে সেসয জায়গায় শিশুদের স্কুলে যাওয়া উচিত।
তবে দেশটিতে স্কুল খোলা না খোলার বিষয়টি নিয়ে মতভেদ আছে। কিছু কিছু ইউনিয়ন এবং স্থানীয় কর্তৃপক্ষ স্কুল খোলার বিপক্ষে। তারা সরকারের স্কুল বন্ধের পরামর্শ না মানারও হুমকি দিয়েছে।
আবার অনেকেই বলছেন, স্কুল বন্ধ রাখাটা শিক্ষার্থীদের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে। আগামী দিনগুলোতে আরও কঠোর লকডাউন আরোপ হলে স্কুলগুলো বন্ধ রাখতে হতে পারে বলে জানিয়েছেন জনসন। যদিও এটি করতে ইচ্ছুক নন বলেও জানিয়েছেন তিনি।
কিন্তু কোভিড সংক্রমণ বাড়ার কারণে এরই মধ্যে সরকার লন্ডন ও এর আশেপাশের স্কুলগুলো খোলার পরিকল্পনা করেও তা বাতিল করতে বাধ্য হয়েছে।
তবে যেসব জায়গায় স্কুল খোলা রয়েছে সেসব জায়গায় শিশুদের প্রাইমারি স্কুলে পাঠানোর জন্য বাবা মায়েদের অনুরোধ জানিয়ে জনসন বলেছেন, স্কুল ‘নিরাপদ জায়গা’ এতে সন্দেহ নেই।
যুক্তরাজ্যে শনিবার একদিনেই রেকর্ড ৫৭ হাজার ৭২৫ জনের করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়েছে।
আর মহামারীর শুরু থেকে এ পর্যন্ত দেশটিতে মারা গেছে ৭৪,০০০ জনেরও বেশি মানুষ। করোনাভাইরাস মোকাবেলায় সরকারের পদক্ষেপের তীব্র সমালোচনাও হচ্ছে।