সদর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মজিবুর রহমান অভিযোগ
করেছেন, ৯ নম্বর ওয়ার্ডের পূর্ব কোমরনই প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রের কাছে শনিবার
সন্ধ্যায় এই হামলা হয়।
“‘শান্তিপূর্ণ ভোটগ্রহণ শেষে ব্যালট পেপার ও সরঞ্জাম
নিয়ে ফিরে আসার সময় পুলিশের ওপর হামলা চালিয়ে গাড়িতে আগুন দেওয়া হয়। হামলাকারীরা
পুলিশের একটি গাড়িতে আগুন দেওয়ার পাশাপাশি চারটি গাড়ি ভাঙচুর করেছে।”
পরে পুলিশ, র্যাব ও বিজিবি সদস্যরা কাঁদানে গ্যাসের
শেল ও রাবার বুলেট ছুড়ে পরিস্থিতি
নিয়ন্ত্রণে আনে বলে তিনি জানান।
পরিদর্শক মজিবুর বলেন, “স্বতন্ত্র মেয়র প্রার্থী
আনওয়ার-উল-সরওয়ার ওই কেন্দ্রের ভোট গণনায় প্রথম হয়েছেন। কিন্তু তার সমর্থক ও
কর্মীদের অভিযোগ, আরও ব্যাপক ভোটের ব্যবধানে তিনি ওই কেন্দ্রে প্রথম হবেন।
“এই অভিযোগ তুলে তারা পুলিশের একটি গাড়িতে আগুন দেয় এবং
আরও চারটি গাড়িতে ভাঙচুর করে। পরে পুলিশ, র্যাব ও বিজিবি সদস্য কাঁদানে গ্যাস ও রাবার
বুলেট ছুড়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।”
তবে এলাকাবাসীর অভিযোগ, ভোট গণনা না করেই ব্যালট ও
সরঞ্জাম নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল।
জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা আব্দুল মোত্তালিব এই অভিযোগ
অস্বীকার করেছেন।
তিনি বলেন, “ওই কেন্দ্রের ভোট গণনা শেষে ফল ঘোষণার
প্রস্তুতির সময় লোকজন নির্বাচনী কর্মকর্তা ও পুলিশের ওপর হামলা চালায়। তবে ব্যালট
বা কোনো সরঞ্জাম ক্ষতিগ্রস্ত হয়নি।”
এ বিষয়ে মেয়র প্রার্থী আনওয়ার-উল-সরওয়ারের মোবাইল
ফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করে বন্ধ পাওয়া গেছে।