রোববার সংগঠনটির কেন্দ্রীয় সভাপতি আল নাহিয়ান
খান জয় ও সাধারণ সম্পাদক লেখক ভট্টাচার্য স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে একথা জানানো
হয়।
এতে ২৫ জনকে সহ-সভাপতি পদে পদায়ন করা হয়েছে।
তারা হলেন- সাইফ উদ্দিন বাবু, সাগর হোসেন সোহাগ,
রায়হান কাওসার, রাকিব হোসেন, রানা হামিদ, আনন্দ সাহা পার্থ, শেখ সাগর আহমেদ, শুভ্রদেব
হালদার, দেবাশীষ সিকদার সিদ্ধার্থ, আরিফ ইবনে আলী, আরিফ হোসেন রিফাত, জেসমিন সিকদার,
শাহরিয়ার সিদ্দিকী শিশিম, উৎপল বিশ্বাস, মোহাম্মদ ওমর ফারুক, মিজানুর রহমান, মুরাদ
হায়দার টিপু, ইফতেখার আহমেদ চৌধুরী সজীব, রাকিবুল হাসান রুবেল, খাদিজাতুল কোবরা, মো.
মহিন উদ্দিন, রাকিবুল ইসলাম ঐতিহ্য ও জেসমিন আরা রুমা।
এছাড়া যুগ্মসাধারণ সম্পাদক পদে আব্দুল জাব্বার
রাজ, দপ্তর সম্পাদক পদে ইন্দ্রনীল দেব শর্মা রনি, সাংস্কৃতিক সম্পাদক পদে মেহেদী হাসান
সানি, পাঠাগার সম্পাদক পদে সৈয়দ ইমাম বাকের, তথ্যপ্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক পদে খন্দকার
জামিউস সানি, ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক পদে তুহিন রেজা, স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা সেবা বিষয়ক
সম্পাদক পদে খালিদ মাহমুদ ফয়সাল, বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় পদে আল আমিন রহমান, উপ-প্রচার
সম্পাদক পদে ফেরদৌস মাহমুদ পলাশ, উপ দপ্তর সম্পাদক পদে সজীব নাথ ও মিরাজুল ইসলাম খান
শিমুলকে পদায়ন করা হয়েছে।
উপ গ্রন্থনা ও প্রকাশনা সম্পাদক পদে তন্ময়
দেবনাথ ও আমানুল্লাহ আমান, উপ-সাংস্কৃতিক সম্পাদক পদে মোহাম্মদ মোর্শেদুর রহমান আকন্দ,
শেখ নাজমুল, মো. মাইনুল হাওলাদার, উপসমাজসেবা সম্পাদক পদে তানভীর হাসান সৈকত, আন্তর্জাতিক
সম্পাদক পদে সামাদ আজাদ জুলফিকার, উপপাঠাগার সম্পাদক পদে এম আর মুকুল ইসলাম, উপপাঠাগার
সম্পাদক পদে আনোয়ার হোসেন, উপ-তথ্য ও গবেষণা পথে মো. আব্দুর রশিদ রাফি, উপ অর্থ বিষয়ক
সম্পাদক পদে মো. আতিকুল ইসলাম আতিক, উপ-আইন বিষয়ক সম্পাদক পদে শাহেদ খান, উপ-তথ্য
ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক এহসান পিয়াল, উপ-স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা সেবা বিষয়ক সম্পাদক
পদে রাজেশ বৈশ্য, জেরিন শিকদার, সাধন বিশ্বাস, মো. রিজভান আহমেদ, উপ ছাত্রবৃত্তি সম্পাদক
পদে মাহফুজুর রহমান, উপ-কর্মসংস্থান বিষয়ক সম্পাদক পদে শাহজাহান ভূঁইয়া শামীম, সহ-সম্পাদক
পদে ফারুকুল ইসলাম ফারুক বেপারী, ফাইজুল ইসলাম সজীব, শেখ রেজওয়ান আলী, আয়েশা আক্তার
সুমি, এম সাইফুল ইসলাম সাইফ, এইচ এম রোমান মাহমুদ, মো. রুবেল শিকদার, মীর সাব্বির,
জাহিদুল ইসলাম নোমান, সদস্যপদে সাজিদ আহমেদ দীপ্ত ও আলী হোসেন আলমকে পদায়ন করা হয়েছে।
২০১৮ সালে ছাত্রলীগের ২৯তম জাতীয় সম্মেলনের
সংগঠনটির সভাপতি পদে রেজওয়ানুল হক চৌধুরী শোভন ও সাধারণ সম্পাদক পদে গোলাম রাব্বানীকে
দায়িত্ব দেওয়া হয়।
শোভন-রাব্বানী দায়িত্ব পাওয়ার এক বছর পর ২০১৯
সালের ১৩ মে ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সংসদের ৩০১ সদস্যের পূর্ণাঙ্গ কমিটি
গঠন করা হয়।
কমিটি ঘোষণার পরপরই অভিযোগ ওঠে, কমিটিতে যোগ্যদের
স্থান না দিয়ে রাখা হয়েছে হত্যাচেষ্টা মামলার আসামি, মাদকসেবী, বিএনপি-জামায়াত ও রাজাকার
পরিবারের সন্তান, বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বহিষ্কৃত, সন্ত্রাস-চাঁদাবাজিতে যুক্ত, বিবাহিত,
সংগঠনে নিষ্ক্রিয় এবং অছাত্রদের।
সংগঠনের আগের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের বিরুদ্ধে
স্বজনপ্রীতির অভিযোগ তুলে আন্দোলনে নামেন ছাত্রলীগের পদ না পাওয়া নেতাকর্মীরা।
দুর্নীতি, চাঁদাবাজি, স্বজনপ্রীতিসহ নানা অভিযোগে
পূর্ণাঙ্গ মেয়াদে দায়িত্ব পালনের আগেই ২০১৯ সালের ১৪ সেপ্টেম্বর পদত্যাগ করতে বাধ্য
হন শোভন-রাব্বানী।
তাদের অব্যাহতির পর সংগঠনটির ভারপ্রাপ্ত সভাপতির
ও সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পান যথাক্রমে আল নাহিয়ান খান জয় ও লেখক ভট্টাচার্য।
তিন মাস ভারপ্রাপ্ত থাকার পর ছাত্রলীগের ৭২তম
প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর অনুষ্ঠানে তাদের পূর্ণাঙ্গ সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক হিসেবে ঘোষণা
করেন আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা।
পরে দায়িত্ব গ্রহণের পর ২০১৯ সালের ১৭ ডিসেম্বর
জয়-লেখক কেন্দ্রীয় কমিটি থেকে বিতর্কিত ২১ জনের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায়,
তাদের পদ শূন্য ঘোষণা করেন। পাশাপাশি আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে আরও ১১ জনের পদ শূন্য ঘোষণা
করা হয়।
এদিকে প্রধানমন্ত্রীর নথি জালিয়াতির মাধ্যমে
সিদ্ধান্ত বদলে দেওয়ার অভিযোগে ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় নির্বাহী সংসদের সহসভাপতি তরিকুল
ইসলাম মুমিনকে সংগঠন থেকে স্থায়ীভাবে বহিষ্কার করা হয়। এর বাইরে বিভিন্ন সময় আরও চারটি
পদ শূন্য ঘোষণা করা হয়।