ক্যাটাগরি

তালিকাভুক্ত-অতালিকাভুক্ত কোম্পানি করের ব্যবধান বাড়িয়ে ১৫% করার পক্ষে বিএসইসি প্রধান

মঙ্গলবার বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি) কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে সংস্থাটির চেয়ারম্যান শিবলী রুবাইয়াত-উল-ইসলাম একথা জানান।

তিনি বলেন, ভালো ভালো কোম্পানিকে বাংলাদেশের পুঁজিবাজারে আনতে হলে ছাড় দিয়ে আনতে হবে। তালিকাভুক্ত হতে গেলে বহুজাতিক কোম্পানিগুলোর খরচ কিছুটা বেড়ে যাবে।

“আগে তালিকাভুক্ত এবং অতালিকাভুক্ত কোম্পানির করের পার্থক্য ছিল ১০ শতাংশ। কিন্তু গত অর্থবছরের বাজেটে এই ব্যবধান কমিয়ে সাড়ে সাত শতাংশ করা হয়েছিল। কিন্তু এই ব্যবধান ১৫ শতাংশে নিয়ে যেতে আমরা অনুরোধ করব।”

এখন পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত কোম্পানির কর হার ২৫ শতাংশ এবং তালিকাভুক্ত নয় এরকম কোম্পানির কর হার ৩২ দশমিক ৫০ শতাংশ। সে হিসাবে এখন পার্থক্য সাড়ে সাত শতাংশ।

তবে এই ব্যবধান বাড়াতে তালিকাভুক্ত কোম্পানির করহার আরও কমানো হবে নাকি অতালিকাভুক্তগুলোর করহার বাড়ানো হবে সেবিষয়ে তিনি কোনো মন্তব্য করেননি।

বাংলাদেশের পুঁজিবাজারে নতুন বিনিয়োগ টানতে ৯ থেকে ১২ ফেব্রুয়ারি দুবাইয়ে অনুষ্ঠেয় ‘রোড শো’ নিয়ে বিস্তারিত জানাতে এই সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করে বিএসইসি।

বিএসইসির নির্বাহী পরিচালক মাহাবুবুল আলম বলেন, বিদেশে দীর্ঘমেয়াদী অর্থের যোগান দেয় পুঁজিবাজার। বাংলাদেশে ব্যাংকগুলো ব্যবসায়ীদের দীর্ঘমেয়াদী ঋণ দিয়ে ঝুঁকির মধ্যে পড়েছে। অর্থের যোগান বাড়াতেই দেশের বাইরে মেলা হবে।

“এই মেলার মাধ্যমে সংযুক্ত আরব আমিরাতে বসবাসরত বাংলাদেশি এবং সে দেশের মানুষের কাছে থেকে বাংলাদেশের পুঁজিবাজারের বিনিয়োগ নিয়ে আসার চেষ্টা করা হবে। মেলার মাধ্যমে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ও বাংলাদেশের পুঁজিবাজারে বিনিয়োগে উচ্চ মুনাফার সুযোগের বিষয়টি সম্ভাব্য বিনিয়োগকারীদের সামনে তুলে ধরা হবে।”

সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, ৯ ফেব্রুয়ারি পার্ক হায়াত হোটেলে সকাল ১০টা থেকে সংযুক্ত আরব আমিরাতে বসবাসরত বাংলাদেশিদের নিয়ে আড়াই ঘণ্টার অনুষ্ঠান হবে। বিকেলে সেখানেই সে দেশের মানুষদের সঙ্গে আরও দুই ঘণ্টার অনুষ্ঠান হবে।

পরদিন সংযুক্ত আরব আমিরাতের প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের সঙ্গে বাংলাদেশের প্রথম শরিয়া বন্ড সুকুক নিয়ে আড়াই ঘণ্টার আলোচনা হবে।

১১ ফেব্রুয়ারি সে দেশের প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের সাথে বাংলাদেশের প্রাইভেট ইকুইটি এবং ভেঞ্চার ক্যাপিটালে বিনিয়োগ নিয়ে আলোচনা করা হবে। আড়াই ঘণ্টা ধরে চলবে এই অনুষ্ঠান।

পরদিন জুড়ে বিনিয়োগকারীদের ছোট ছোট দলের সঙ্গে আলাদাভাবে আলোচনা হবে।