বার্তা সংস্থা রয়টার্স জানিয়েছে, এনএলডির কার্যনির্বাহী কমিটি মঙ্গলবার এক ফেইসবুকে পোস্টে এ আহ্বান জানায়।
দলটির নেতা মে উয়িন মিন্টের ফেইসবুক পেইজ থেকে ওই বিবৃতি পোস্ট করা হয়েছে। গত নভেম্বরের নির্বাচনের ফলাফলের স্বীকৃতি দেওয়ার ও পার্লামেন্ট অধিবেশন শুরু করার আহ্বান জানানো হয়েছে সেখানে।
গত বছরের ৮ নভেম্বরের জাতীয় নির্বাচনে সু চির দল এনএলডি বড় জয় পায়। পার্লামেন্টে সংখ্যাগরিষ্ঠতার জন্য যেখানে ৩২২টি আসনই যথেষ্ট, সেখানে এনএলডি ৩৪৬টি আসন পেয়েছে।
কিন্তু সেনাবাহিনী সমর্থিত দল ইউনিয়ন সলিডারিটি অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট পার্টি (ইউএসডিপি) ভোটে প্রতারণার অভিযোগ তুলে ফলাফল মেনে নিতে অস্বীকৃতি জানায় এবং নতুন করে নির্বাচন আয়োজনের দাবি তোলে।
দেশটির নির্বাচন কমিশন অনিয়মের অভিযোগ নাকচ করলেও উত্তেজনা বাড়তে থাকে। দেশটির বেসামরিক সরকার এবং প্রভাবশালী সামরিক বাহিনীর মধ্যে কয়েকদিন ধরে দ্বন্দ্বের অবসান ঘটে সামরিক বাহিনীর অভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে।
সোমবার ভোররাতে রাজধানী নেপিডোতে অভিযান চালিয়ে মিয়ানমারের স্টেট কাউন্সিলর সু চি, প্রেসিডেন্ট উয়িন মিন্টসহ এনএলডির শীর্ষ নেতাদের আটক করে সেনাবাহিনী।
এর কয়েক ঘণ্টা পর সামরিক বাহিনীর নিয়ন্ত্রিত টেলিভিশনে এক বছরের জন্য দেশে জরুরি অবস্থা জারির ঘোষণা দেওয়া হয়। এতে বলা হয়, নির্বাচনে ‘জালিয়াতির’ঘটনায় সরকারের জ্যেষ্ঠ নেতাদের আটক করা হয়েছে।
দেশে জরুরি অবস্থা জারির পর সশস্ত্র বাহিনীর প্রধান সেনাবাহিনীর সিনিয়র জেনারেল মিং অং হ্লাইংয়ের হাতে ক্ষমতা তুলে দেওয়া হয়।