পাবনার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মাসুদ আলম জানান, বিকাল সাড়ে ৩টার দিকে মৃতদেহ দাফন করে ফেরার পথে অগ্নিসংযোগের পাশাপাশি ভাঙচুরের এই ঘটনা ঘটানো হয়।
শুক্রবার সন্ধ্যায় জেলা শহরের অনন্ত মোড় এলাকায় আধিপত্য বিস্তারের জেরে ৩২ বছর বয়সী বকুলকে কুপিয়ে ও গুলি করে হত্যা করা হয়।
বকুল সদর উপলোর দোগাছি ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য এবং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ছিলেন।
শনিবার বিকালে মৃতদেহ দাফনের পর অন্তত নয়টি বাড়িতে অগ্নিসংযোগ করা হয়।
জেলা ফায়ার সার্ভিসের সহকারী পরিচালক দুলাল মিয়া বলেন, “খবর পেয়ে আমরা ঘটনাস্থলে গিয়ে নয়টি বাড়ির আগুন নিয়ন্ত্রণে আনি। ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ এখনও জানা যায়নি।”
এছাড়া প্রতিবাদকারীরা পুলিশের ওপর ইটপাটকেল নিক্ষেপ করেছে বলে অভিযোগ করেছ পুলিশ।
পুলিশ কর্মকর্তা মাসুদ বলেন, “বকুলের স্বজন ও এলাকাবাসী বাড়িঘরে অগ্নিসংযোগ ও ভাঙচুর চালানোর সময় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করলে বিক্ষুব্ধরা আমাদের ওপর ইটপাটকেল নিক্ষেপ করে। এতে তিন পুলিশ সদস্য আহত হন। পরে ব্যারেল গ্যাস ছুড়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা হয়।”
পুলিশ খুনি ধরতে তৎপর রয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, “অপ্রীতিকর পরিস্থিতি সৃষ্টি না করে তদন্তে সহযোগিতার জন্য বকুলের সমর্থকদের প্রতি আহ্বান জানাচ্ছি।”
পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে বলে তিনি জানান।