ক্যাটাগরি

হল বন্ধ রেখে পরীক্ষার সিদ্ধান্ত ঢাবির, দুশ্চিন্তায় শিক্ষার্থীরা

পরীক্ষা নেওয়ার ঘোষণায়
উচ্ছ্বসিত হলেও আবাসিক হল বন্ধ থাকায় ঢাকা এসে কোথায় থেকে পরীক্ষা দেবেন, তা নিয়ে বিপাকে
পড়েছেন তারা।

এ নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ
মাধ্যমে লেখালেখি, ফেইসবুক গ্রুপে জনমত যাচাই ও মতামত গ্রহণের পাশাপাশি শুক্রবার বিকেলে
পরীক্ষা নেওয়ার আগে আবাসন নিশ্চিতের দাবিতে মানববন্ধন করেছেন একদল শিক্ষার্থী।

অপরদিকে বিশ্ববিদ্যালয়
কর্তৃপক্ষ বলছে, করোনাভাইরাস মহামারীর মধ্যে শিক্ষার্থীদের স্বাস্থ্যঝুঁকি ও নিরাপত্তার
কথা চিন্তা করে এই মুহূর্তে আবাসিক হল খোলা ‘সম্ভব নয়’। কষ্ট হলেও ঢাকায় আত্মীয়-স্বজনের
বাসা কিংবা মেসে থেকে শিক্ষার্থীদের পরীক্ষায় অংশ গ্রহণ করতে হবে।

দেশে করোনাভাইরাসের
প্রাদুর্ভাবের পর ১৮ মার্চ থেকে অন্য সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মতো বন্ধ রয়েছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়।
সেশনজট রোধে অনলাইনে পাঠদান চালিয়ে গেলেও এতদিন পরীক্ষা নিতে পারেনি বিশ্ববিদ্যালয়
কর্তৃপক্ষ।

এরইমধ্যে গত ৩০ নভেম্বর
৪২তম (বি‌শেষ) এবং ৪৩তম বিসিএসের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ ক‌রে সরকা‌রি কর্ম ক‌মিশন (পিএসসি)।
৪৩তম বিসিএসে অংশ নিতে ৩০ জানুয়ারির মধ্যে শিক্ষার্থীদের আবেদন করতে হবে।

তবে যথাসময়ে পরীক্ষা
না হওয়ায় ৪৩তম বিসিএস পরীক্ষার আবেদন করা নিয়ে বিপাকে পড়েন স্নাতক শেষবর্ষের শিক্ষার্থীরা।

এই প্রেক্ষাপটে বৃহস্পতিবার
বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক কাউন্সিলের এক ভার্চুয়াল সভার পর বিশ্ববিদ্যালয়ের এক সংবাদ
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, “অগ্রাধিকার ভিত্তিতে অনার্স শেষ বর্ষ ও মাস্টার্সের পরীক্ষাসমূহ
স্বাস্থ্যবিধি ও সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে আগামী ২৬ ডিসেম্বর থেকে অনুষ্ঠিত হবে। শিক্ষার্থীরা
নিজ নিজ বিভাগ ও ইনস্টিটিউট থেকে সংশ্লিষ্ট পরীক্ষার সময়সূচি জানতে পারবে।

“বিদ্যমান পরিস্থিতিতে
শিক্ষার্থীদের আবাসিক সুবিধা প্রদান করা সম্ভব হচ্ছে না বিধায় সংশ্লিষ্ট বিভাগ ও ইনস্টিটিউট
নিজ নিজ শিক্ষার্থীদের সাথে যোগাযোগ ও উপস্থিতি নিশ্চিত করে বিভিন্ন পরীক্ষা গ্রহণ
করবে।”

এই ঘোষণার পর ‘স্বপ্নের
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়’ নামের একটি ফেইসবুক গ্রুপে আবাসিক হল খোলা ছাড়া পরীক্ষা নেওয়ার
বিষয়টি যৌক্তিকতা কি না সে বিষয়ে জনমত জরিপ করা হয়। এতে ৪১৪৩ জন শিক্ষার্থী আবাসিক
হল খোলা ছাড়া পরীক্ষা নেওয়ার বিষয়টি ‘অযৌক্তিক’ বিবেচনা করে ভোট দেন। অপরদিকে ১৯২ জন
শিক্ষার্থী বিশ্ববিদ্যালয়ের সিদ্ধান্তকে যৌক্তিক বলে ভোট দেন।

বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের
সিদ্ধান্তের সমালোচনা করে ডাকসুর সদ্য সাবেক এজিএস সাদ্দাম হোসেন ফেইসবুকে লেখেন,
“আবাসনের নিশ্চয়তা না দিয়ে শিক্ষার্থীদের চতুর্থ বর্ষ ফাইনাল পরীক্ষা ও মাস্টার্স ফাইনাল
পরীক্ষা নেওয়ার সিদ্ধান্ত একতরফা, এটা শিক্ষার্থীস্বার্থ বিরোধী এবং বাস্তবতার সাথে
সামঞ্জস্যহীন। সেশনজট নিরসনকল্পে এবং বিসিএসসহ প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় শিক্ষার্থীদের
অংশগ্রহণের জন্য পরীক্ষা নেওয়ার সিদ্ধান্ত জরুরি।

“কিন্তু শিক্ষার্থীদের
অধিকার-সুযোগ-ন্যায়ানুগ ব্যবস্থাকে প্রাধান্য না দিয়ে মাসের মাঝখানে ১৬ দিনের নোটিসে,
বাড়ি ভাড়া পাওয়ার ব্যবস্থা-আর্থিক সংস্থান কীভাবে হবে সে বিষয় না ভেবে, মেয়েরা কোথায়-কীভাবে
থাকবে সে বিষয়ে দৃষ্টিপাত না করে এ ধরনের সিদ্ধান্ত নেওয়ার যুক্তিসঙ্গত কারণ নেই।”

সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনার
দাবি জানিয়ে সাদ্দাম বলেন, “অবশ্যই হলে আবাসনের নিশ্চয়তা রেখে, পর্যাপ্ত স্বাস্থ্য-সুরক্ষা
নিশ্চিত করে নির্ধারিত সময়েই পরীক্ষা নেওয়ার ব্যবস্থা করতে হবে। একই সঙ্গে চতুর্থ বর্ষের
ফাইনাল পরীক্ষায় অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থীরা যাতে ৪৩তম বিসিএস পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার সুযোগ
পায় সেজন্য আবেদন করার সময় শিক্ষার্থীদের পরীক্ষা-সূচির সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ করে নেওয়াও
প্রয়োজন।”

একই দাবি জানিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের
সলিমুল্লাহ মুসলিস (এসএম) হলের সদ্য সাবেক জিএস জুলিয়াস সিজার ফেইসবুকে লেখেন, “আবাসিক
হল বন্ধ রেখে পরীক্ষা গ্রহণের সিদ্ধান্তটি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের পুনর্বিবেচনা
করা উচিত৷ সিংহভাগ শিক্ষার্থী এত দিন হলে আবাসিক জীবনযাপন করেছে এবং ঢাকায় তাদের কয়েক
দিন অবস্থান করার ব্যবস্থা নেই। তাই আবাসিক হল খুলে পরীক্ষাকালীন সময়ে তাদের হলে বাস
করতে দেয়াই সমীচীন বলে মনে করি।”

পরীক্ষার সময় হল খুলে
দেওয়ার দাবিতে শুক্রবার বিকেলে বিশ্ববিদ্যালয়ের সন্ত্রাসবিরোধী রাজু ভাস্কর্যের পাদদেশে
মানববন্ধন করেন একদল শিক্ষার্থী।

তাদের যুক্তি, অধিকাংশ
শিক্ষার্থীই স্বল্প সময়ের মধ্যে ঢাকায় এসে নিজেদের আবাসনের ব্যবস্থা করতে ‘পারবেন না’।
অনেক শিক্ষার্থী আছেন যাদের দূর থেকে দূরতম কোনো আত্মীয় ঢাকায় থাকেন না এবং অনেকের
কোথাও ভাড়া থাকার আর্থিক সামর্থ্য নেই।

তাই শুধু পরীক্ষার্থীদের
জন্য হলেও বিশ্ববিদ্যালয়ের হলগুলো খুলে দেওয়ার দাবি করেন তারা।

মানববন্ধনে স্নাতক
শেষ বর্ষের পরীক্ষার্থী আহনাফ সাঈদ খান বলেন, “পরীক্ষার বিষয়টি অবশ্যই যৌক্তিক। তবে
আবাসনের বিষয়ে প্রশাসনকে অনুরোধ করব শিক্ষার্থীদের মতামত নেন, ক্রিয়াশীল ছাত্র সংগঠনগুলোর
সাথে পরামর্শ করে শিক্ষার্থীবান্ধব সিদ্ধান্ত নিন। আবাসনের বিষয়ে আপনাদের সিদ্ধান্ত
পুনর্বিবেচনা করার অনুরোধ রইল।”

তথ্যবিজ্ঞান ও গ্রন্থাগার
ব্যবস্থাপনা বিভাগের চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী ইকরাম খান বলেন, “পরীক্ষা নেওয়ার সিদ্ধান্তকে
আমরা স্বাগত জানাই। কিন্তু হল না খুললে দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চল থেকে আসা শিক্ষার্থীরা
বিড়ম্বনায় পড়বে। তাই প্রশাসনকে হল খুলে দেওয়ার দাবি জানাচ্ছি। প্রয়োজনে শুধু অনার্স
শেষ বর্ষ ও মাস্টার্সের শিক্ষার্থীদের জন্য হল খুলে দেওয়া হোক। পর্যায়ক্রমে যাদের পরীক্ষা
শুধু তাদের হলে রাখা যেতে পারে।”

শিক্ষার্থীদের দাবির
বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করলে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক মো. আখতারুজ্জামান বিডিনিউজ
টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, “এই মহামারী পরিস্থিতিতে হল খোলার সিদ্ধান্ত নেওয়া যাচ্ছে
না। সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানেরই জাতীয় কনসেন্ট লাগবে। বিচ্ছিন্নভাবে আমরা এ রকম সিদ্ধান্ত
নেওয়া কঠিন। অনেক জায়গায় পরীক্ষা হচ্ছে। শিক্ষাথীদের সুবিধার কথা চিন্তা করেই অনার্স
ফাইনাল ও মাস্টার্সের পরীক্ষা নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে, যাতে আমাদের ছেলে-মেয়েরা পিছিয়ে
না থাকে।”

পরীক্ষা দিতে এলে অনেক
শিক্ষার্থীরই আবাসিক সমস্যা হবে স্বীকার করে তিনি বলেন, “এখানে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত
থেকে এসে হলে থেকে পড়ালেখা করত। তাদের জন্য ঢাকায় থাকাটা একটু কষ্ট হবে। তবে এই মহামারীতে
শিক্ষার্থীদের এই কষ্টের চেয়ে স্বাস্থ্যঝুঁকি ও নিরাপত্তার বিষয়টা গুরুত্বপূর্ণ।

“আমরা পরীক্ষাটা নিচ্ছি
যাতে শিক্ষার্থীরা সেশনজটে না পড়ে। অনেক বিভাগ পরীক্ষা নিয়ে নিচ্ছে, অন্যান্য বিভাগের
শিক্ষার্থীরাও যাতে পিছিয়ে না থাকে, সেজন্যই আমরা বিভাগগুলোকে অনুরোধ করেছি, আপনারা
শিক্ষার্থীদের সাথে আলোচনা করে পরীক্ষাগুলো নিয়ে নেন।”

এ বিষয়ে উপ-উপাচার্য
(শিক্ষা) অধ্যাপক এএসএম মাকসুদ কামাল বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, “এই মুহূর্তে
হল খোলা সম্ভব হচ্ছে না। কারণ অনেক শিক্ষার্থীর গ্যাদারিং হলে করোনাভাইরাসের সংক্রমণের
আশঙ্কা বেড়ে যায়। টিএসসি বা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে লোক সমাগম বেড়ে যাবে।

“যদি অনার্স ফাইনাল
ইয়ার ও মাস্টার্সের শিক্ষার্থীদের জন্য হল খোলা হয় তাহলে  অন্যরাও হলে উঠে যাবে। তখন শিক্ষার্থীদের স্বাস্থ্যঝুঁকি
ও নিরাপত্তা নিয়ে সমস্যা তৈরি হবে। এ বিষয়গুলো বিবেচনা করে আমরা বলছি, আপাতত হল খুলছি
না। শিক্ষার্থীদের আত্মীয়-স্বজনের বাসায়, বন্ধু-বান্ধবের সাথে মেসে থেকে অল্প সময়ে
পরীক্ষাগুলোতে অংশ নিতে অনুরোধ করছি।”

শিক্ষার্থীদের ‘সুবিধার
কথা চিন্তা করেই’ এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে দাবি করে তিনি বলেন, “যদি করোনাভাইরাস না
থাকত এত দিনে অনেকে সার্টিফিকেট পেয়ে যেত। তারা অনেকে সেশনজটের আশঙ্কা করছে, কর্মজীবন
নিয়ে দুশ্চিন্তায় আছে। মূলত সেশনজটটাকে যাতে সহনশীল পর্যায়ে নিয়ে আসা যায় সেজন্যে এই
পদক্ষেপ।

“তাছাড়া আপনারা জানেন,
৪৩তম বিসিএসের আবেদনের শেষ সময় ৩১ জানুয়ারি। করোনার কারণে যারা পরীক্ষায় বসতে পারেনি
তারা যদি এই সময়টাতে পরীক্ষায় অ্যাপেয়ার্ড দেখাতে পারে তাহলে ৪৩তম বিএসএসে আবেদন করতে
পারবে। বিষয়টা নিয়ে আমরা পিএসসির সাথে কথা বলেছি।”

যাদের পরীক্ষা নেওয়া হবে

অধ্যাপক মাকসুদ কামাল
বলেন, “প্রথমত আমরা অগ্রাধিকার ভিত্তিতে সমাপনী পরীক্ষাগুলো নেব। অর্থাৎ ৮ম সেমিস্টারের
পরীক্ষা, মাস্টার্সের ২য় সেমিস্টারের পরীক্ষা। এর আগে অনেক বিভাগে একটা বা দুটা পরীক্ষা
শুরু হয়েছিল, কিন্তু করোনার কারণে যারা সম্পন্ন করতে পারেনি সেগুলো নেওয়া হবে। আমাদের
জানা মতে, অনেক বিভাগ ইতোমধ্যে পরীক্ষা নিয়ে নিয়েছে। যারা নিতে পারেনি সেগুলো আগে নেওয়া
হবে।

“অপরদিকে কেউ যদি ৭ম
সেমিস্টার শেষ না করে থাকে তাহলে আগে ওই পরীক্ষা দিতে হবে। পরে অষ্টম সেমিস্টারের কোর্স
শেষ হয়ে থাকলে পরে শিক্ষার্থীদের সাথে কথ বলে সংশ্লিষ্ট বিভাগ সেই পরীক্ষাও নিতে পারবে।”

পরীক্ষার সময়সূচি সম্পর্কে
তিনি বলেন, “পরীক্ষার সময় পূর্বের নিয়মের অর্ধেক হবে। তবে নম্বর কমানোর সিদ্ধান্ত হয়নি।
সেটা প্রশ্নপত্রে ঠিক করে দেওয়া হবে। শিক্ষার্থীদের সাথে আলোচনা করে কোনো বিভাগ চাইলে
প্রয়োজনে একদিনে দুইটা পরীক্ষাও নিতে পারবে।

“এক পরীক্ষা শেষে পরের
পরীক্ষায় কতটুকু গ্যাপ থাকবে, সেটাও সংশ্লিষ্ট বিভাগ শিক্ষার্থীদের সাথে আলোচনা করে
নির্ধারণ করবে। শিক্ষার্থীরা যদি কম গ্যাপে পরীক্ষা দিতে চায় তাহলে তারা সেটা করতে
পারবে। শিক্ষার্থীদের সুবিধার কথা বিবেচনা করে বিভাগ পরীক্ষার সময়সূচি প্রণয়ন করবে।
এটা কেন্দ্রীয়ভাবে নির্ধারণ করা সম্ভব না। কারণ একেক বিভাগে একেক সুবিধা-অসুবিধা থাকতে
পারে।”

স্বাস্থ্যবিধির বিষয়ে
অধ্যাপক মাকসুদ কামাল বলেন, “পরীক্ষার তারিখ এমনভাবে তৈরি হবে যাতে একদিনে সবার পরীক্ষা
না হয়। আগে আমরা নির্ধিারিত পরীক্ষা কেন্দ্রগুলোতে পরীক্ষা নিতাম। যেহেতু এখন ক্লাসরুমগুলো
ফাঁকা, সেখানেও পরীক্ষা নেওয়া যাবে। স্বাসথ্যবিধি ও সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখেই সেটা
করার সুয়োগ রয়েছে।”

অন্যান্য বর্ষের পরীক্ষার
বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, “পর্যায়ক্রমে অন্যান্য বর্ষের পরীক্ষাও নেওয়া হবে। তারাও
যাতে সেশনজটে না পড়ে সেটার জন্য আমরা কাজ করছি। অনলাইনে যাদের ক্লাস হচ্ছে, আমরা বলেছি
টেকহোম পদ্ধতিতে টিউটোরিয়াল পরীক্ষাগুলো নিয়ে নিতে। আমরা শিক্ষার্থীদের অ্যাসাইনমেন্ট
দেব, শিক্ষার্থীরা বাড়ি থেকে হাতে লিখে স্ক্যান করে মেইলের মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট শিক্ষকদের
কাছে জমা দেবে। কম্পিউটারেও লিখে দিতে পারবে। তবে শিক্ষকরা অনুরোধ করবেন যাতে তারা
হাতে লিখে জমা দেয়। এতে তারা বইপত্র ঘেটে, একটু পড়ালেখা করে জমা দেবে। হাতে লিখলে বাসায়
বসে তাদের কিছুটা চর্চা হবে।”