শুক্রবার সকালে অনলাইনে
মন্দিরভিত্তিক শিশু ও গণ শিক্ষা কার্যক্রম-পঞ্চম পর্যায় শীর্ষক প্রকল্পের ২০২১ শিক্ষাবর্ষের
বই বিতরণ কার্যক্রম উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি একথা বলেন।
প্রতিমন্ত্রী বলেন,
“মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ঘোষিত ২০৪১ সালের মধ্যে উন্নত বাংলাদেশের নৈতিকতা
সম্পন্ন যোগ্য নাগরিক তৈরিতে মন্দিরভিত্তিক শিশু ও গণশিক্ষা কার্যক্রম গুরুত্বপূর্ণ
ভূমিকা রাখছে।
“সরকার শিক্ষা ক্ষেত্রে
বিপ্লব সাধন করেছেন। প্রতি বছর কোটি কোটি শিক্ষার্থীর মধ্যে বছরের প্রথম দিনেই বই বিতরণ
করা হচ্ছে। সরকারের প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়, শিক্ষা মন্ত্রণালয়, মাদ্রাসা
শিক্ষা বোর্ডের সঙ্গে ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয় প্রাক প্রাথমিক শিক্ষা কার্যক্রমে গুরুত্বপূর্ণ
ভূমিকা রাখছে।”
তিনি বলেন, “মসজিদভিত্তিক
শিশু ও গণ শিক্ষা কার্যক্রম প্রকল্প, মন্দিরভিত্তিক শিশু ও গণশিক্ষা কার্যক্রম প্রকল্প,
প্যাগোডাভিত্তিক শিশু ও গণশিক্ষা কার্যক্রম প্রকল্পসমূহ দেশের ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের
অবকাঠামো কাজে লাগিয়ে লাখ লাখ শিশুকে ধর্মীয় ও নৈতিকতা শিক্ষা প্রদান করছে এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক শিক্ষা ব্যবস্থায়
অবদান রাখছে।”
বছরের প্রথম দিনে মন্দিরভিত্তিক
শিশু ও গণ শিক্ষা কার্যক্রমের আওতায় দেশের ৬৪ জেলার ৬৪ কেন্দ্রের শিক্ষার্থীদের মাঝে
বই ও শিক্ষা উপকরণ বিতরণের মাধ্যমে বই বিতরণ কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন তিনি।
এ প্রকল্পের আওতায়
পর্যায়ক্রমে সারা দেশে ৪ হাজার ৬৫০টি কেন্দ্রের ১ লাখ ৯২ হাজার ২৫০ জন শিক্ষার্থীর
মাঝে বই বিতরণ করা হবে।
ধর্ম মন্ত্রণালয়ের
এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, মন্দিরভিত্তিক শিশু ও গণ শিক্ষা কার্যক্রম প্রকল্পের
প্রকল্প পরিচালক রঞ্জিত কুমার দাসের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত ভার্চুয়াল সভায় আরও বক্তব্য
রাখেন হিন্দু ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্টের ভাইস চেয়ারম্যান সুব্রত পাল।
ভার্চুয়াল এ সভায় ধর্ম
বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. নুরুল ইসলাম, হিন্দু ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্টের সিনিয়র ভাইস
চেয়ারম্যান, ভাইস চেয়ারম্যান, ট্রাস্টি, প্রকল্পের কর্মকর্তা-কর্মচারী, শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা
অংশগ্রহণ করেন।