তৃতীয় মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে
চকবাজার থানা আওয়ামী লীগের আয়োজনে স্মরণসভায় এভাবেই তার স্মৃতিচারণ করেন দলের
নেতারা।
তার বড় ছেলে শিক্ষা
উপমন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল বলেন,
“তিনি
প্রকৃত অর্থে গণমানুষের নেতা ছিলেন। তাই তিনি সাধারণ মানুষের মুখের ভাষা বুঝতেন, তাদের
চাওয়া-পাওয়ার কথা জানতেন।
“জীবনে কখনো তিনি নীতি-আদর্শ চ্যুত হননি। প্রকৃত অর্থে তিনি
ছিলেন রাজনৈতিক কর্মী সৃষ্টির সুনিপুণ কারিগর। বাবার রাজনীতি ছিল জনকল্যাণমুখী।
যখনই অন্যায় অবিচার হয়েছে, তিনি প্রতিবাদমুখর হয়ে উঠেছেন।“
নওফেল বলেন, তিনি
চট্টগ্রামকে নিয়ে অনেক স্বপ্ন দেখতেন। তিনি নির্বাচনে ৪০ দফা দিয়েছিলেন। মাননীয়
প্রধানমন্ত্রী চট্টগ্রামের উন্নয়নে মেরিন ড্রাইভ, চট্টগ্রাম-কক্সবাজার
রেললাইন নির্মাণ, কর্ণফুলী টানেল নির্মাণ ও
বে-টার্মিনালসহ চট্টগ্রামকে ঘিরে সব মেগা প্রকল্প বাস্তবায়ন করছেন। মহিউদ্দিন
চৌধুরী চট্টগ্রামকে ঘিরে এসব স্বপ্নই দেখতেন।
চট্টগ্রাম সিটি
কর্পোরেশনের নির্বাচনে দলীয় মেয়র প্রার্থী এম রেজাউল করিম চৌধুরী বলেন, “এবিএম মহিউদ্দিন চৌধুরী আমৃত্যু দল ও আর্দশের প্রতি ছিলেন অবিচল। তিনি কখনো
নীতিচ্যুত হননি এবং নীতির প্রশ্নে কখনো আপষ করেননি। এই শিক্ষাটা আমাদের প্রত্যেককে
অর্জন করতে হবে।“
নগর আওয়ামী লীগের জ্যেষ্ঠ
যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক রেজাউল বলেন,
“নগর
আওয়ামী লীগ ঐক্যবদ্ধ। আমাদের নেতাদের মধ্যে কিছু ক্ষেত্রে প্রতিযোগিতা থাকতে পারে।
আমাদের বিশাল কর্মীবাহিনী ঐক্যবদ্ধ। তারা তুচ্ছ কারণে বিভেদ চান না। তাই নেতাদের
বুঝতে হবে ঐক্যই আমাদের জেগে ওঠার শক্তি।“
চকবাজার থানা আওয়ামী লীগের
সভাপতি সাহাবুদ্দীন আহমদর সভাপতিত্ব ও সাধারণ সম্পাদক আনসারুল হকর সঞ্চালনায়
অনুষ্ঠিত স্মরণ সভায় আরও বক্তব্য রাখেন নগর কমিটির উপ-প্রচার সম্পাদক শহীদুল আলম, থানা আওয়ামী লীগ নেতা সিরাজুর রহমান, শেখ
হারুন উর রশিদ, সাইফুল ইসলাম ভূঁইয়া, নাজিম
উদ্দিন, আবুল কালাম আজাদ,
অমর দত্ত, কামরুল
হাসান, শামশুল আলম,
রতন ভট্টাচার্য্য, দিদারুল
আলম, ১৬নম্বর চকবাজার ওয়ার্ডের কাউন্সিলর
প্রার্থী সাইয়েদ গোলাম হায়দার মিন্টু,
শ্রমিক লীগর আবুল হাসন আবু ও
মহিলা কাউন্সিলর প্রার্থী
রুমকি সেনগুপ্তা।