বিমানের
উপমহাব্যবস্থাপক (জনসংযোগ) তাহেরা খন্দকার রোববার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে
এ কথা জানিয়েছেন।
দুই
সপ্তাহের নিষেধাজ্ঞার সময়ে বাতিল হওয়া ফ্লাইটগুলোর যাত্রীদের বিমানের ওয়েবসাইটে দেওয়া শিডিউল অনুযায়ী বিমানের সেলস অফিসে যোগাযোগ করতে অনুরোধ করা হয়েছে সেখানে।
ফ্লাইটে
আসন খালি থাকা সাপেক্ষে এই যাত্রীদের অগ্রাধিকার
ভিত্তিতে আসন বরাদ্দ করা হবে।
প্রতি সপ্তাহে
জেদ্দায় চারটি, রিয়াদে চারটি এবং দাম্মামে তিনটি ফ্লাইটে যাত্রী পরিবহন করে বিমান।
করোনাভাইরাসের
অতি সংক্রামক একটি নতুন ধরন যুক্তরাজ্য থেকে ছড়াতে শুরু করলে গত ২১ ডিসেম্বর আন্তর্জাতিক
ফ্লাইট চলাচলে এক সপ্তাহের নিষেধাজ্ঞা
জারি করে সৌদি আরব সরকার। এরপর তা আরেক সপ্তাহ বাড়ানো
হয়।
এই প্রেক্ষাপটে
জেদ্দা, রিয়াদ
ও দাম্মামগামী সব ফ্লাইট বাতিল
করে দেয় বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স।
করোনাভাইরাস
মহামারীতে সৌদি আরব বিমান চলাচল বন্ধ রাখায় বিপাকে পড়েছিল সে দেশে কর্মরত
বাংলাদেশি শ্রমিকরা। মহামারীর শুরুতে দেশে এসে ফিরতে না পারা শ্রমিকদের
জন্য পরে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স দুটি বিশেষ ফ্লাইট পরিচালনা করে।
কোভিড-১৯: আন্তর্জাতিক ফ্লাইটে এক সপ্তাহের নিষেধাজ্ঞা সৌদি আরবের