শনিবার
দুপুরে পৌরসভার ১ নম্বর ওয়ার্ডের আলাইয়াপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রের
ভোটার মো. ইব্রাহিম ঢাকার একটি হাসপাতাল থেকে অ্যাম্বুলেন্সে করে ভোট কেন্দ্রে এসে
ভোট দিয়ে ফের একই বাহনে ঢাকার হাসপাতালে ফিরে যান।
তিনি ওই
ওয়ার্ডে কাউন্সিলর প্রার্থী ছিলেন। পরবর্তীতে প্রার্থীতা প্রত্যাহার করে তার ভাই জাকিরকে
গাজর প্রতীককে সমর্থন দিয়েছেন।
অতীতে
হুইল চেয়ার বা স্বজনদের কোলে চড়ে ভোট দিতে বাসতে দেখা গেলেও দাগনভূঞা পৌরসভা
নির্বাচনে এবারই প্রথম কেউ অ্যাম্বুলেন্সে করে এলেন বলছেন স্থানীয়রা।
ইব্রাহিম
আরও জানান, কাউন্সিলর পদে তিনি প্রতিদ্বন্দ্বিতা করলে মনোনয়নপত্র দাখিল করলেও তার
ভাই কাউন্সিলর প্রার্থী জাকির নির্বাচানে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করায় ভাইকে সমর্থন দিয়ে
মনোনয়ন প্রত্যাহার করে নেন তিনি।
কাউন্সিলর
ও মেয়র পদে ভোট দিতে অসুস্থ অবস্থায়ও তিনি ঢাকা থেকে আসেন। প্রথমবারের মতো ইভিএম
মেশিনে ভোট দিতে পেরে উচ্ছাস প্রকাশও করেছেন তিনি।
আলাইয়াপুর
সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রের প্রিজাইডিং অফিসার খিজ্জির আহমেদ জানান,
ইব্রাহিমকে স্ট্রেচারে করে ভোটকক্ষে নিয়ে আসা হলে ভোট কক্ষে দায়িত্বে থাকা ব্যক্তিদের
সহযোগিতায় তিনি ভোট প্রদান করেন।
উপজেলা
নির্বাচন কর্মকর্তা মো. কামাল হোসেন জানান, দাগনভূঞা পৌরসভা সকাল থেকে বিকেল
পর্যন্ত ১৩টি কেন্দ্রে ভোট গ্রহণ হয়েছে।
এবার নির্বাচনে
মেয়র পদে ৪ জন এবং কাউন্সলর পদে ১৫ জন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন।
একক
প্রার্থী হওয়ায় বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় সাধারণ ওয়ার্ডে ৪ জন ও সংরক্ষিত ওয়ার্ডে ৩
জন ইতোমধ্যে নির্বাচিত হয়েছে।