রোববার আদালতের মাধ্যমে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। আগের দিন বিকালে তাকে
দৌলতখান উপজেলার সৈয়দপুর ইউনিয়নের চরশুভী গ্রাম থেকে গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তার গিয়াস উদ্দিন (৩৫) ওই ওয়ার্ডের আবদুল খালেকের ছেলে।
ভুক্তভোগী নারী গত শনিবার বাদী হয়ে দৌলতখান থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন
দমন আইনে মামলা করেছেন।
এদিকে ঘটনাটি ধামাচাপা দিতে একটি মহল চেষ্টা চালিয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন
স্থানীয়রা।
দৌলতখান থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) বশির আহমেদ খান জানান, এ ঘটনায় মামলা
করার পর আসামি গিয়াস উদ্দিনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। রোববার সকালে তাকে ভোলা আদালতে
সোপর্দ করা হয়।
মামলার বিববরণ ও ভুক্তভোগীর ভাষ্যমতে, জীবন-জীবিকার তাগিদে তার স্বামী
কুমিল্লায় চাকরি করেন। স্বামী বাড়িতে না থাকার সুযোগে প্রতিবেশী গিয়াস উদ্দিন প্রায়ই
তাকে অশালীন প্রস্তাব দিযে আসছিলেন। ওই গৃহবধূ তার প্রস্তাব বারবার প্রত্যাখ্যান করেন।
ঘটনার দিন গত বুধবার সন্ধ্যায় ঘরে একা থাকার সুযোগে গিয়াস উদ্দিন গৃহবধূর
ঘরে ঢুকে জোরপূর্বক তাকে ধর্ষণের চেষ্টা চালায়।
মামলা করার পর পুলিশ অভিযুক্ত গিয়াস উদ্দিনকে গ্রেপ্তার করেছে।
ঘটনার পর প্রথমে স্থানীয় গণ্যমাণ্য ব্যক্তিরা বিষয়টি মীমাংসার চেষ্টা করায়
মামলা করতে বিলম্ব হয়ে জানিয়েছেন এ ভুক্তভোগী নারী।