রিয়াল
মাদ্রিদের বিপক্ষে সেমি-ফাইনালের প্রথম লেগে ৪-৩ গোলে জয়ের পর বুধবার সান্তিয়াগো
বের্নাবেউয়ে ফিরতি লেগেও জয়ের সুবাস পাচ্ছিল সিটি। ৭৩তম মিনিটে দলকে এগিয়ে নেন
রিয়াদ মাহরেজ। ৮৯ মিনিট পর্যন্ত দুই লেগ মিলিয়ে তারা এগিয়ে ৫-৩ গোলে। এরপরই গড়বড়
হয়ে যায় সবকিছু।
নির্ধারিত
সময়ের শেষ মিনিটে ম্যাচে সমতা টানেন রদ্রিগো। দ্বিতীয়ার্ধে বদলি নামা এই
ব্রাজিলিয়ান উইঙ্গার যোগ করা সময়ের প্রথম মিনিটে হেডে আবার জালে বল পাঠান, দুই লেগ
মিলিয়ে স্কোরলাইন দাঁড়ায় ৫-৫। এরপর অতিরিক্ত সময়ে করিম বেনজেমার স্পট কিকে
অবিশ্বাস্য প্রত্যাবর্তনের গল্প লিখে ৬-৫ গোলের অগ্রগামিতায় ফাইনালের উঠে যায়
রিয়াল।
ম্যাচ
শেষে বিটি স্পোর্টসের সঙ্গে আলাপচারিতায় গুয়ার্দিওলার সরল স্বীকারোক্তি, নিজেদের
সেরাটা মেলে ধরতে পারেননি তারা।
“আমরা
(ফাইনালের) খুব কাছে ছিলাম। কিন্তু শেষ পর্যন্ত আমরা সেখানে যেতে পারিনি।
প্রথমার্ধে আমরা যথেষ্ট ভালো খেলিনি, তবে আমাদের খুব বেশি ভুগতেও হয়নি। গোল করার
পর আমরা আরও ভালো খেলছিলাম, আমরা ছন্দ খুঁজে পেয়েছিলাম, খেলোয়াড়রা স্বাচ্ছন্দ্য
বোধ করছিল।”
“এদের
মিলিতাও, রদ্রিগো, ভিনিসিউস জুনিয়র, করিম বেনজেমাসহ অনেক খেলোয়াড়কে তারা বক্সে
রেখেছিল, তারা ক্রস দেয় এবং দুটি গোল করে। আমরা আমাদের সেরাটা খেলতে পারিনি, তবে
এটা স্বাভাবিক, সেমি-ফাইনালে খেলোয়াড়রা চাপ অনুভব করে। ফুটবল অননুমেয় একটি খেলা।
আমাদের (হার) মেনে নিতে হবে।”
ঘরোয়া
ফুটবলে অনেক সাফল্য পেলেও চ্যাম্পিয়ন্স লিগ শিরোপা এখনও অধরাই সিটির। ২০১৬ সালে
গুয়ার্দিওলা দায়িত্ব নেওয়ার পর তিনবার প্রতিযোগিতাটির কোয়ার্টার-ফাইনাল থেকে বিদায়
নেয় তারা। গত মৌসুমে প্রথমবার ফাইনালে উঠে হারতে হয় চেলসির বিপক্ষে। এবার অভিযান
থামল শেষ চারে।