ক্যাটাগরি

চট্টগ্রাম সিটির ভোটে দলীয় প্রার্থীকে নিয়ে আ. লীগের বৈঠক

শুক্রবার সন্ধ্যায়
চট্টগ্রাম সার্কিট হাউজে অনুষ্ঠিত ওই বৈঠকে দলের প্রেসিডিয়াম সদস্য ইঞ্জিনিয়ার
মোশাররফ হোসেন, তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান
মাহমুদ, ভূমি মন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরী জাবেদ, শিক্ষা
উপমন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল ও সাবেক মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীন উপস্থিত
ছিলেন। 

সন্ধ্যা ৬টার দিকে শুরু
হওয়া বৈঠক চলে প্রায় রাত ৮টা পর্যন্ত। শুরুর প্রায় আধ ঘণ্টা পর তথ্যমন্ত্রী হাছান মাহমুদ ও সাবেক
মেয়র আ জ ম নাছির যোগ দেন। 

বৈঠক শেষে ইঞ্জিনিয়ার
মোশাররফ হোসেনের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন,
“সিটি
নির্বাচনের বিষয়ে আমাদের দলীয় আলোচনা হয়েছে, আর কিছু নয়।”

দলীয় মনোনয়ন না মেনে প্রার্থী
হওয়া নিয়ে আলোচনার বিষয়ে তিনি বলেন,
“আমাদের
কোনো বিদ্রোহী প্রার্থী নেই। বাকিরা নিজস্ব প্রার্থী….।“

নগর আওয়ামী লীগের সাধারণ
সম্পাদক আ জ ম নাছিরের কাছে জানতে চাইলে তিনি হেসে বলেন, “আমি কিছু বলব না। যা বলার মোশাররফ ভাই বলবেন।“

সভা শেষে তথ্যমন্ত্রী
হাছান মাহমুদ সভার বিষয়ে কোনো মন্তব্য করেননি। 

বৈঠকের বিষয়ে জানতে চাইলে
চট্টগ্রাম-৯ আসনের সাংসদ শিক্ষা উপমন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল বলেন, “নির্বাচন আসন্ন। চট্টগ্রাম ও কক্সবাজারের সাংসদরা আজ বসেছিলেন। নগরীতে
জেলা-উপজেলার বাসিন্দা অনেক ভোটার বসবাস করেন। নির্বাচনের জন্য তাদের রাজনৈতিকভাবে
উদ্বুদ্ধ করার বিষয়ে নেতৃবৃন্দ আলোচনা করেছেন। 

“আনুষ্ঠানিক প্রচারণা শুরু হলে নেতাদের অনেকে প্রচারণায় অংশ
নিতে পারবেন না। তাই ভোটারদের সম্পৃক্ত করার বিষয়ে এখন থেকেই যাতে তারা রাজনৈতিক
উদ্যোগ নিতে পারেন তা নিয়ে কথা হয়েছে।” 

বিদ্রোহী প্রার্থীদের
বিষয়ে দলের ‘কঠোর অবস্থান’ থাকবে বলে জানান নওফেল। 

এছাড়া প্রার্থীর মৃত্যুর
কারণে একটি ওয়ার্ডে কাউন্সিলর মনোনয়ন বিষয়ে আলোচনা হয় বৈঠকে। তবে এ বিষয়ে দুই
ধরণের প্রস্তাব আসায় কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি। 

বৈঠকে নগর আওয়ামী লীগের
ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মাহতাব উদ্দিন চৌধুরী,
সিটি নির্বাচনে আওয়ামী
লীগের প্রার্থী এম রেজাউল করিম চৌধুরী,
বোয়ালখালী আসনের সাংসদ
মোছলেম উদ্দিন আহমেদ, রাউজানের সাংসদ এবিএম ফজলে
করিম চৌধুরী, সাতকানিয়ার সাংসদ আবু রেজা
মো. নেজামুদ্দীন নদভী, বাঁশখালীর সাংসদ
মোস্তাফিজুর রহমান চৌধুরী, কক্সবাজারের সাংসদ সাইমুম
সারওয়ার কমল ও আশেকুল্লাহ রফিক, সংরক্ষিত আসনের সাংসদ
খাদিজাতুল আনোয়ার সনি, চট্টগ্রাম উত্তর জেলা
আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শেখ আতাউর রহমান ও দক্ষিণ জেলার সাধারণ সম্পাদক
মফিজুর রহমান উপস্থিত ছিলেন। 

কোভিড-১৯ মহামারীর কারণে
২৯ মার্চ পূর্ব নির্ধারিত দিনে সিসিসি নির্বাচনের ভোটগ্রহণের এক সপ্তাহ আগে তা
স্থগিত করা হয়। এরপর ৬ অগাস্ট সিটি করপোরেশনের প্রশাসক পদে খোরশেদ আলম সুজনকে দায়িত্ব দেওয়া
হয়। 

২৭ জানুয়ারি স্থগিত হওয়া
সিটি নির্বাচনের ভোট গ্রহণের তারিখ ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন; প্রচারণা শুরু হবে
৮ জানুয়ারি থেকে।