ক্যাটাগরি

ঈদের পর প্রথম কর্মদিবসে জলাবদ্ধতায় নাকাল চট্টগ্রামবাসী

বৃহস্পতিবার সকাল ৬টার দিকে নগরীতে
বৃষ্টি শুরু হয়। শুরুটা মুষলধারে হলেও পরে বেগ কমে আসে। বেলা ১১টা পর্যন্ত বৃষ্টিতে নগরীর ২ নম্বর গেইট, মুরাদপুর, চকবাজার, কাপাসগোলা, বাকলিয়া, ডিসি রোড, চান্দগাঁওসহ কয়েকটি এলাকার রাস্তায়
পানি জমে যায়।

তাতে এসব এলাকার বাসিন্দারা পরেন চরম ভোগান্তিতে। ছুটির
আবহ না কাটায় সড়কে যানবাহন তেমন ছিল না।
ফলে পানি ডিঙিয়ে
তাদের গন্তব্যে
যেতে হয়েছে
পায়ে হেঁটে।  

পতেঙ্গা আবহাওয়া অফিস জানায়,
বৃহস্পতিবার
বেলা ১২টা পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় ২৫ দশমিক ২ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে নগরীতে।

কাপাসগোলা এলাকার বাসিন্দা শফিকুল ইসলাম বলেন, “রাস্তায় বের হয়েই দেখি পানি জমে আছে। একটু জোরে বৃষ্টি হলেই পানি জমে যায়। এই অবস্থা চলছে বছরের পর বছর। ময়লা পানি ডিঙিয়ে অফিসে আসতে হল।”

বন্দরনগরীতে ঈদের দিন দুপুরেও বৃষ্টি হয়েছিল। পরদিন বুধবার সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত থেমে থেমে বৃষ্টি হয়। তবে পরিমাণ ছিল কম।

এ শহরের জলাবদ্ধতা নিরসনে প্রায় ১০ হাজার কোটি টাকার চারটি প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে সরকারি বিভিন্ন সংস্থা। এরমধ্যে সাড়ে ছয় হাজার কোটি টাকার মেগা প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে সিডিএ।

মৌসুমের প্রথম মাঝারি বৃষ্টিতেই জলাবদ্ধতা নিয়ে প্রশ্ন করলে
চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের জলাবদ্ধতা বিষয়ক স্ট্যান্ডিং কমিটির সভাপতি কাউন্সিলর মোবারক আলী বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, “সকালে কোথাও কোথাও পানি জমেছিল। এখন তা নামতে শুরু করেছে। মুরাদপুর থেকে ২ নম্বর গেট পর্যন্ত খাল ভরাট করে রিটেইনিং ওয়ালের কাজ চলছে।

তবে
এ সমস্যা নিরসনে ‘অসহায়ত্ব’ স্বীকার করে মোবারক আলী বলেন, “মে মাসের মধ্যে তারা খাল খালি করে দেবে বলেছিল। এ কারণে কিছু সময় লাগছে। এছাড়া চকবাজার-বাকলিয়া অংশেও খালে কয়েকটা বাঁধ আছে। সেগুলো তুলে দেওয়ার কথা। আষাঢ় আসার আগে পর্যন্ত তারা কাজ করতে চেয়েছে। এরপর বাঁধগুলো খুলে দেবে। এ মুহূর্তে আমরা অসহায়।”

আবহাওয়া অধিদপ্তরের পূর্বাভাস বলছে, পশ্চিমা লঘুচাপের বর্ধিতাংশ পশ্চিমবঙ্গ এবং সংলগ্ন এলাকায় অবস্থান করছে। মৌসুমের স্বাভাবিক লঘুচাপ দক্ষিণ বঙ্গোপসাগরে অবস্থান করছে। এ কারণে চট্টগ্রামে বৃষ্টি হতে পারে।